হিমালয়ের কোলে ফের প্রাকৃতিক বিপর্যয়: হঠাৎ কেঁপে উঠল তিব্বত, রিখটার স্কেলে ৭.০ মাত্রার বিধ্বংসী ভূকম্পন

A strong earthquake of magnitude 7.0 struck Tibet

হিমালয়ের কোলে ফের বড় ধরনের ভূকম্পন। বৃহস্পতিবার রিখটার স্কেলে ৭.০ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত। সিসমিক ডেটা বা ভূকম্পন সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ভূগর্ভ থেকে প্রায় ১৭৩ কিলোমিটার নিচে। শক্তিশালী এই ভূকম্পনের জেরে তিব্বতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির সুনির্দিষ্ট খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

হিমালয় অঞ্চলে ভূকম্পনের ঘনঘটা

 গত কয়েক মাস ধরেই হিমালয় ও এর সংলগ্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ধাক্কা লেগেই রয়েছে। এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর নেপালে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। অন্যদিকে গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে একটি বিশাল বরফ-পাথরের ধস বা আইস-রক অ্যাভালাঞ্চের জেরে নেমে আসে ভয়াবহ বন্যা। ওই আকস্মিক বিপর্যয়ে বহু বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও সেতু ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছিলেন। সেই উদ্ধার ও পুনর্বাসন কাজ চলার মাঝেই আজকের ৭.০ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্প ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে।<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>🚨 M7.0 earthquake, 183 km ENE of Nagqu, Tibet, China. At just 10 km deep, this is a shallow event and was likely felt across a wide area. Shallow earthquakes can produce stronger surface shaking than deeper events of similar magnitude. This is the largest of 2 earthquakes recorded in the region over the past 30 days. Reports from affected areas will help clarify impacts. #earthquake #GeoShake #Tibet</p>&mdash; GeoShake | Community Seismic Network (@geoshake_ai) <a href=”https://x.com/geoshake_ai/status/2113283772577710279?ref_src=twsrc%5Etfw”>October 22, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>


চরম আবহাওয়া

ভূতত্ত্ববিদ ও পরিবেশবিজ্ঞানীদের মতে, হিমালয় বলয় বরাবর এই ধরনের তীব্র ভূকম্পন এবং চরম আবহাওয়ার পুনরাবৃত্তি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে গোটা অঞ্চলটি ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিব্বত ও সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।