ইরান ও আমেরিকার মধ্যে দ্বিতীয় দফায় শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় পাকিস্তানের উপর ভরসা নেই ইরানের। বরং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তারা চিনকে পাশে পেতে চাইছে। দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরুর আগে ইরানের দাবি মেনেই চিনের স্মরণাপন্ন হচ্ছে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার আলোচনার টেবিলে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় পাকিস্তানের সঙ্গে থাকতে পারে চিনের প্রতিনিধিরাও।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামাতে সক্রিয় হয়েছিল ইসলামাবাদ। যুযুধান দুই দেশ ইরান ও আমেরিকাকে আলোচনার টেবিলে বসিয়েছিল শাহবাজ শরিফ সরকার। তবে সেই আলোচনা কার্যত ব্যর্থ হয়। এই অবস্থায় এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের উপর ভরসা করতে পারছে না ইরান। তেহরানের অনুমান, যুদ্ধ থামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে চিন।
দ্বিতীয় দফার আলোচনায় ৬টি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে চাইছে ইরান। যার মধ্যে অন্যতম হল স্থায়ী শান্তির গ্যারান্টি দেওয়া এবং ইরানের প্রধান দাবিগুলি পূরণ করা। ইরান চায়, শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকুক চিন। এই আলোচনায় চিনের অন্তর্ভুক্তি কূটনৈতিকভাবেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তেহরান ও বেজিংয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাছাড়া প্রয়োজনে চিন আমেরিকার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে। যা পাকিস্তানের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চিনকেই পাশে পেতে চাইছে তেহরান।
আমেরিকার সঙ্গে প্রথমবার শান্তি আলোচনা ভেস্তে যেতে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল ইরান। সেদেশের সরকারি সংবাদমাধ্যমে পাকিস্তানকে কটাক্ষ করে বলা হয়, পাক সেনাপ্রধান আসিফ মুনির আমেরিকার শেখানো বুলি বলছেন। অথছ তিনি ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার নাটক করছেন।