চার বছরের গৃহযুদ্ধের পর মায়ানমারে (Myanmar) শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তাইল্যান্ডের (Thailand) রাজধানী ব্যাঙ্ককে সেনা জুন্টা-বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলির যৌথমঞ্চ ‘স্টিয়ারিং কাউন্সিল ফর দ্য এমার্জেন্স অফ আ ফেডারেল ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন’ (SCEAF)-এর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আউং সান সু চি (Aung San Suu Kyi)-র সমর্থক ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের (NUG) নেতৃত্বাধীন এই মঞ্চ রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে সওয়াল করেছে।
আরও পড়ুন: আজ এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে মোদী, ২০ সাংসদকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত
জানা গিয়েছে, মায়ানমারের (Myanmar) সেনা প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের ( Min Aung Hlaing) সম্মতিতে জুলাই মাসে আলোচনা শুরু হয়। বৈঠকে কারেন, কাচিন, চিন-সহ একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা যোগ দেন। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, জনজাতির প্রতিনিধিত্ব এবং ফেডারেল গণতান্ত্রিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আজ ‘তেরঙ্গা যাত্রায়’ মুখ্যমন্ত্রী, নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাতে ঋতব্রত
২০২১ সালের পর থেকে সংঘাতে এক লক্ষের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি। ২০২৩ সালে ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’-এর অভিযান সেনাবাহিনীকে চাপে ফেলে। সেই অভিযানের পোশাকি নাম ছিল ‘অপারেশন ১০২৭’ । তাঙ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (TNLA) এবং ‘মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’র (MNDAA) পাশাপাশি সেই গোষ্ঠীতে ছিল সে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। পরে অন্য কয়েকটি গোষ্ঠীও সেই শিবিরে যোগ দিয়েছিল। পরবর্তী কালে চিনের মধ্যস্থতায় এমএনডিএএ এবং টিএনএলএ সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করেছিল। ফলে এই শান্তি উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার।
দেখুন: ‘বাংলার মানবসম্পদই সবচেয়ে বড় শক্তি’, শিল্প সম্মেলনের মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারী