ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ঘিরে অনিশ্চয়তার আবহে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে মোজতবা খামেনিকে নিয়ে। তিনি বেঁচে আছেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ইরানের একাধিক সূত্রের দাবি— মোজতবা জীবিত, তবে গুরুতর আহত। তাঁর চিকিৎসা রাশিয়ায় চলছে বলেও জানা গিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে আয়াতোল্লা আলি খামেনির দপ্তরে ভয়াবহ হামলার অভিযোগ ওঠে। ওই হামলায় খামেনি-সহ একাধিক শীর্ষ সামরিক ও প্রশাসনিক কর্তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। একটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার কিছুক্ষণ আগেই দপ্তর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন মোজতবা। ফলে প্রাণে বেঁচে গেলেও বিস্ফোরণে তাঁর পায়ে গুরুতর চোট লাগে।
ফাঁস হওয়া একটি অডিয়োর উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, হামলাটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বিস্ফোরণের তীব্রতায় বহু শীর্ষকর্তার দেহ বিকৃত হয়ে যায়। যদিও এই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করা হয়নি।
হামলার পর মোজতবাকে নতুন নেতৃত্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। কিন্তু তিনি এখনও প্রকাশ্যে না আসায় সেই জল্পনা আরও বাড়ছে। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মোজতবার মৃত্যু হয়েছে— যা বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে, একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলে মোজতবার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। তাঁকে মস্কোয় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি। তবে রাশিয়ার তরফে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ফলে মোজতবা খামেনেইয়ের বর্তমান অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি।