বাংলাদেশে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের

সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের সাভারের ভবানীপুর এলাকায়।  অভিযুক্তর নাম মহম্মদ কারুজ্জামান। বয়স ৩৬ বছর। শনিবার তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার বিকেলে সাভারের কমলাপুর এলাকার মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতিতার পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে ছাত্রীটি মাদ্রাসায় আবাসিক পড়ুয়া হিসেবে সেখানেই থাকত। পরিবারের অভিযোগ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ছাত্রীটিকে অশালীন মন্তব্যের পাশাপাশি হয়রানিও করত।

শুক্রবার বিকেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করে বলে অভিযোগ। পরে মেয়েটি তার পরিবারকে পুরো ঘটনাটি জানায় এবং ছাত্রীর বাবা থানায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।


ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইমরান হোসেন জানান, শনিবার সকালে মেয়েটির বাবা অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশ দুপুর নাগাদ ভবানীপুরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার তদন্ত চলছে। মামলার উপর নির্ভর করে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের সাভারের ভবানীপুর এলাকায়।  অভিযুক্তর নাম মহম্মদ কারুজ্জামান। বয়স ৩৬ বছর। শনিবার তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার বিকেলে সাভারের কমলাপুর এলাকার মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতিতার পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে ছাত্রীটি মাদ্রাসায় আবাসিক পড়ুয়া হিসেবে সেখানেই থাকত। পরিবারের অভিযোগ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ছাত্রীটিকে অশালীন মন্তব্যের পাশাপাশি হয়রানিও করত।

শুক্রবার বিকেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করে বলে অভিযোগ। পরে মেয়েটি তার পরিবারকে পুরো ঘটনাটি জানায় এবং ছাত্রীর বাবা থানায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইমরান হোসেন জানান, শনিবার সকালে মেয়েটির বাবা অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশ দুপুর নাগাদ ভবানীপুরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার তদন্ত চলছে। মামলার উপর নির্ভর করে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।