ইজরায়েলের ডিমোনা এবং আরাদ শহরে ইরানি হামলায় প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ইজরায়েলে বিমান প্রতিরক্ষা বিভাগ অন্তত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইরানের হামলার পর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু এবং সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির জানিয়েছেন, ইজরায়েল দেশটির শত্রুদের বিরুদ্ধে ‘সব ফ্রন্টে’ লড়াই চালিয়ে যাবে। পরে, ইজরায়েলি বিমানবাহিনী তেহরানে বিভিন্ন পরিকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। ডিমোনায় হামলার জেরে একটি ১২ বছরের ছেলে শত্রু পক্ষের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে। আর আরাদে হামলায় একটি পাঁচ বছরের মেয়েও গুরুতর আহত হয়েছে। ইরান এই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিয়ার শেবার সোরোকা মেডিকেল সেন্টার জানায়, তারা আরাদ এবং ডিমোনায় আহত ১৭৫ জনকে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছে। এছাড়া, ডিমোনায় আহত ৩০ বছরের একজন মহিলা কাঁচের টুকরোর আঘাতে আহত হয়েছেন। তবে তাঁর আঘাত মধ্যম মানের। শহরে আরও ৩১ জন হালকা আঘাত পেয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসাও করতে হয়েছে। আহতদের অধিকাংশ শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো বা আশ্রয় নেওয়ার সময় আঘাত পেয়েছেন।
আক্রান্ত ১৪ জনকে তীব্র মানসিক আঘাত পেয়েছেন। তাঁদেরও চিকিৎসা পরিষেবা দিতে হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের প্রকাশিত ভিডিওতে একটি আবাসিক ভবন আগুনে ঝলসে যেতে দেখা গিয়েছে। এই হামলা ইজরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং সীমান্তে উত্তেজনার বিষয়ে গুরুত্ব বাড়িয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনও সংকটাপন্ন।