১১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্রিকস সম্মেলন, তার আগে চাবাহার বন্দরে জোর ইরানের

Image: ANI

এক সপ্তাহ আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর (Narendra Modi) সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian)। ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম দুই দেশের রাষ্ট্রনেতারা মুখোমুখি হতে চলেছেন। আগামী ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। সেখানে ফের মোদী  (Narendra Modi)ও পেজেশকিয়ানের (Masoud Pezeshkian) সাক্ষাৎ হতে পারে। তার আগেই ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনেরর বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার কথা তুলে ধরল তেহরান। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চাবাহার বন্দর (Chabahar port in Iran) প্রকল্পকেও।

সোমবার ভারত ও ইরান সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমায়েল বাঘেই। তাঁর কথায়, ভারতের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্ব বহু পুরনো এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি হল দুই দেশের ইতিহাস ও সামাজিক যোগসূত্র। ভারতকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবেই দেখে তেহরান। পাশাপাশি তিনি জানান, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে ভালো এবং সময়ের সঙ্গে তা আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

আরও পড়ুন: যৌন হেনস্থার অভিযোগ জেএনইউ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে, নালিশ ১১ পড়ুয়ার, তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি


সম্প্রতি কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে ৩১ আগস্ট মোদী (Narendra Modi) ও পেজেশকিয়ানের (Masoud Pezeshkian) বৈঠক হয়েছিল। সেই সাক্ষাতের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছে ইরান। তেহরানের বক্তব্য, ভারত এসসিও এবং ব্রিকস দুই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীরই সদস্য। এছাড়া ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এমন দেশগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

চাবাহার বন্দর (Chabahar port in Iran) নিয়েও ভারতের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে চান ইরান। তেহরানের মতে, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চাবাহার (Chabahar port in Iran) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসে। এই প্রকল্প দুই দেশের কাছেই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ভারতের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিতে ব্রিকস সম্মেলনের সুযোগও কাজে লাগাতে চায় ইরান।

ভারত ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। যোগাযোগ এবং বাণিজ্যিক সংযোগ আরও মজবুত করতে চাবাহার বন্দর (Chabahar port in Iran) উন্নয়ন ও পরিচালনায় দুই দেশ সহযোগিতা করে আসছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে নতুন করে কোনও অর্থ বরাদ্দ হয়নি।

আরও পড়ুন: ছাইয়ের মেঘে ঢাকল আকাশ, ইন্দোনেশিয়ায় বাতিল ১৫৫৮ উড়ান

সংসদে বিদেশ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্টেই শেষ কিস্তির অর্থ প্রদান করা হয়েছিল। মূল চুক্তি অনুসারে ভারতের ১২ কোটি মার্কিন ডলারের আর্থিক দায়ও ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। সেই কারণেই নতুন অর্থবর্ষে অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে চারটি ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

দেখুন: <iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/XnH4aiIEsgg?si=XOKx9WcQHpTx1OTw” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>