প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক যৌথ বিবৃতিতে দাবি করেছেন, দেশে বর্তমানে কোনও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিবেশ নেই। তাঁদের বক্তব্য, আওয়ামী লীগ ও সমমনস্ক দলগুলোর প্রতি দেশের অন্তত ৫০ শতাংশ ভোটারের সমর্থন রয়েছে। এই শক্তিকে বাদ দিয়ে কখনও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে ভয়, সন্ত্রাস ও দমননীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছে, দেশে মবসন্ত্রাস, ধর্ষণ, গুম ও খুনের ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সাংবাদিক, পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। ভিন্নমত প্রকাশ করলেই গায়েবি মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার, শারীরিক হামলা এবং পত্রিকা অফিসে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে অধিকাংশ মানুষ ভোট ও রাজনীতিতে অংশ নিতে আগ্রহ হারিয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের মতে, এমন পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে কোনওভাবেই গণতান্ত্রিক বলা যায় না। পাশাপাশি ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূল চেতনা পরিবর্তনের লক্ষ্যে গণভোট আয়োজনের উদ্যোগকেও তাঁরা গভীরভাবে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন। তাঁদের অভিযোগ, একটি গোষ্ঠী এই প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চাইছে এবং পাকিস্তানি মানসিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এই অবস্থায় তাঁরা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অগণতান্ত্রিক ও প্রহসনমূলক এই নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে বর্জন করার জন্য। বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রিয়ায় বসবাসরত মোট ২০০১ জন প্রবাসী বাংলাদেশীর পক্ষ থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা স্বাক্ষর করেছেন।