আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলায় একেবারে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছিল ইরান। পাল্টা ইরানের তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালাল আমেরিকার সেনাবাহিনী। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী সব দেশগুলিকে সতর্ক করেছে ইরান।
আমেরিকার সেনাবাহিনী সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মার্কিন নৌসেনার দুটি জাহাজকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। দুটি যুদ্ধজাহাজই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এড়িয়ে গিয়েছে। সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানের তরফে হামলার পিছনে লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক জলসীমায় টহলরত দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। একটি মার্কিন এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার ও অন্যটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার। যদিও ইরানের হামলায় কোনও মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হননি।
<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>Iran's IRGC says hit 3 oilers in Hormuz Strait, 3 US vessels elsewhere in retaliatory strikes<br><br>· The navy of Iran's Islamic Revolution Guard Corps (IRGC) said Saturday it had targeted three oil tankers in the Strait of Hormuz and three US-affiliated vessels elsewhere in… <a href=”https://t.co/XfAAi55UNW”>pic.twitter.com/XfAAi55UNW</a></p>— IANS (@ians_india) <a href=”https://x.com/ians_india/status/2096441832020533572?ref_src=twsrc%5Etfw”>September 6, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>
ইরানের এই হামলার পরেই আমেরিকা পাল্টা হামলা চালায়। আমেরিকাও তিনটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায়। সেন্টকমের বিবৃতি অনুযায়ী, খার্গ দ্বীপের উপকূলে এমটি ডাউনি এবং জাস্কের কাছে এমটি স্টার্ক-কে স্থায়ীভাবে অচল করে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে গালফ অফ ওমানে থাকা খালি তেলবাহী জাহাজ এমটি কায়লোকেও সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।
যদিও ইরানের দাবি, তিনটি মার্কিন ট্যাঙ্কার ও আমেরিকার সঙ্গে যুক্ত অন্য তিনটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চল ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী সব জাহাজকে মার্কিন সেনাবাহিনীর কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে সন্দেহজনকভাবে অনুমোদিত পথে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেই জাহাজগুলির উপরেই হামলা চালানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি।
আরও পড়ুন: ছুটির দিনে বৃষ্টিস্নাত হবে মহানগরী! সপ্তাহের শুরুতে কী পূর্বাভাস উত্তর-দক্ষিণে?
এর আগে মার্কিন সেনাবাহিনীর হামলার পর ইরানের প্রধান সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’-এর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘ইরানি জাহাজের উপরে হামলা, হয়রানি এবং নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকলে মার্কিন সামরিক জাহাজের উপর ইরানের হামলা আরও তীব্র হতে পারে।’ এমনকী এই সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেছিলেন।