বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগকেই চান। তাই ভোটে লড়লে আওয়ামী লীগই জিতে যেত। সেজন্যেই তাঁর দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি জামাত-এনসিপি জোট এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের ফিরে আসার বিষয়টি নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। হাসিনার দাবি, সূত্র মারফত তিনি জেনেছেন, বিএনপি কর্মীরা ১২ ফেব্রুয়ারি, সাধারণ নির্বাচনে তাদের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে ভয় দেখাচ্ছে, তাদের উপর বলপ্রয়োগ করছে। তাঁর কথায়, ‘এটাই কি গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন?’
আওয়ামী লীগ লড়াইয়ের ময়দানে না থাকায় এবারের ভোটে জামাত এবং এনসিপির জোট একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি। দেশে ফিরেছেন তারেক। খালেদার প্রয়াণের বিএনপির দায়িত্বভারও নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাবর্তন নিয়েও মুখ খুলেছেন হাসিনা। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের পুনর্নবীকরণ বা সংস্কারের সূচক নয়। বরং এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক জলবায়ুকে আরও পিছনের দিকে ঠেলে দেবে।’
হাসিনার আমলেই একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় করে দেশ ছেড়ে লন্ডনে গিয়ে স্থায়ী ভাবে বসবাস করা শুরু করেন তারেক। হাসিনা দেশান্তরী হওয়ার পর তিনিও ফিরেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যত মামলা দায়ের হয়েছিল হাসিনার আমলে, তা থেকেও মুক্ত হয়েছেন তারেক। হাসিনা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি না, বাংলাদেশ এমন ব্যক্তির কাঁধে ভর করে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, যাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার চরমপন্থী শক্তির সঙ্গে জোট বেঁধে এবং হিংসাকে প্রশ্রয় দেয়।’