হরমুজে ফের আক্রমণ, ইরানের হামলায় নিহত ভারতীয় নাবিক, জখম আরও ৬ ভারতীয়

Image: SNS

হরমুজে ফের আক্রমণ। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দাবি, মঙ্গলবার ভোরে ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তাদের দু’টি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আক্রান্ত হয়েছে। এই হামলায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও আট জন আহত হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, আহতদের মধ্যে ছ’জন ভারতীয় এবং দু’জন ইউক্রেনের নাগরিক।

এর আগেও গত রবিবার ওমান উপকূলের কাছে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ হামলার মুখে পড়েছিল। সেই জাহাজে ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও এক জন নিখোঁজ। ওই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছিল ভারত। তার মধ্যেই আবার হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় নাবিক থাকা দু’টি জাহাজে হামলার অভিযোগ উঠল ইরানের বিরুদ্ধে।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দাবি, মঙ্গলবার ভোরে ‘মোম্বাসা’ এবং ‘আল বাহিয়া’ নামে দু’টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে লক্ষ্য কর ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়। হামলার সময় জাহাজ দু’টি ওমানের জলসীমায় ছিল। ‘মোম্বাসা’ জাহাজেই নিহত ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুই ট্যাঙ্কারেই আগুন ধরে গেলেও পরে নাবিকদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।


এই হামলাকে ‘নির্লজ্জ’ আক্রমণ বলে তীব্র নিন্দা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তাদের বক্তব্য, এই ঘটনার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক রিভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে দু’টি ‘সুপারট্যাঙ্কা’র আক্রমণের শিকার হয়ে অকেজো পড়ে রয়েছে। তবে তারা কোনও জাহাজের নাম প্রকাশ করেনি। আইআরজিসি-র দাবি, হুঁশিয়ারি অগ্রাহ্য করে জাহাজ দুই নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখে মাইন পাতা একটি পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই তাদের লক্ষ্য করে হামাল চালানো হয়েছে।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি যে ‘মোম্বাসা’ ও ‘আল বাহিয়া’ জাহাজের কথা বলছে, আইআরজিসি-র বিবৃতিতে উল্লেখিত ‘সুপারট্যাঙ্কার’ সেই একই জাহাজ কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি ইরনের অভিযোগ, হরমুজ প্রণালী দিয়ে ‘অবৈধ’ চলাচলে জাহাজগুলিকে উস্কানি দিচ্ছে আমেরিকা।তবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি যে ‘মোম্বাসা’ ও ‘আল বাহিয়া’ জাহাজের কথা বলছে, আইআরজিসি-র বিবৃতিতে উল্লেখিত ‘সুপারট্যাঙ্কার’ সেই একই জাহাজ কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি ইরানের অভিযোগ, হরমুজ় প্রণালী দিয়ে ‘অবৈধ’ চলাচলে জাহাজগুলিকে উসকানি দিচ্ছে আমেরিকা।