কেনিয়ায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মত্যু হল ৭ জনের। উত্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির সম্বুরু এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৫ জন মার্কিন নাগরিক এবং ইকুয়েডরের গোয়েন্দা প্রধান মিশেল সেনসি-কন্টুগি রয়েছেন। দুর্ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ও হেলিকপ্টারের পাইলট মারা গিয়েছেন।
বুধবার হেলিকপ্টারের আরোহীরা কেনিয়ায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। লোইসাবা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা থেকে এওয়াসো নিগিরো নদীর দিকে যাওয়ার সময় হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। হেলিকপ্টারটির গন্তব্য ছিল ইওয়াসো নিয়োরো এলাকার দিকে। হেলিকপ্টারটিতে বিলাসবহুল পর্যটক সংস্থা অ্যান্ডবিয়ন্ডের সঙ্গে যুক্ত পর্যটকেরা ছিলেন বলে জানিয়েছে অপারেটর লেডি লরি হেলিকপ্টার্স। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল এক ইঞ্জিনের ইউরোকপ্টার EC130B4।
তবে কীভাবে হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ল, সে সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। কেনিয়ার পরিবহণ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট নিশ্চিত করেছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন। একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, মার্কিন দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
তবে অনুমান, খারাপ আবহাওয়া থাকার কারণে দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পরেই কপ্টারে আগুন লেগে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে উদ্ধারকারীরা সমস্যার মুখে পড়েছেন। কেনিয়া রেড ক্রস জানিয়েছে, অত্যন্ত দুর্গম এলাকা হওয়ায় মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ আবুধাবির, দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিল তেহরান
এদিকে, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্টের দপ্তর সেনসি-কন্টুগির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। কেনিয়া সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কেনিয়ার এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন বিভাগ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।