বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্প ঢোকায় শুক্র এবং শনিতে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রতীকী চিত্র

আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছিল, রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে।

এই সপ্তাহের শেষের দিকে রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সতর্কবার্তা দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। শুক্র এবং শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। সঙ্গে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকতে থাকায় এই পরিস্থিতি ২৩ মার্চ পর্যন্ত বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

২০ মার্চ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ঝড়ের কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে এই সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুতের সঙ্গে ৫০-৬০ কিলোমিটার ঝোড়ো হাওয়া বইবে। অন্য দিকে, ২১ মার্চ ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে, হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে। তবে এই দু’দিন কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিও হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।


আগামী দু’দিন কলকাতায় ঝড়-বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যেখানে ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতা এবং হাওড়ায় কোনও বিশেষ সতর্কতা নেই। পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ২১ মার্চ পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নদিয়ায় ১৮, ২০, ২১ মার্চ ঝোড়ো হাওয়া ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে।

উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকেই ২১ মার্চ পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২০ মার্চ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ির কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে। ২১ মার্চ শিলাবৃষ্টির সতর্কতা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলায় ২৩ মার্চ পর্যন্ত এই দুর্যোগ চলবে।