বাংলায় মঙ্গলবার নতুন করে শৈত্যপ্রবাহ না বাড়লেও ঠান্ডা পরিস্থিতি বজায় রয়েছে। উত্তরবঙ্গে ঠান্ডার দাপট থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার পতন আপাতত থেমেছে। শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিন ছিল ৬.২ ডিগ্রি। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতেও সামান্য তাপমাত্রা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। কুয়াশা কেটে রোদ ওঠায় দিনের বেলায় শীতের অনুভূতিও কিছুটা কমেছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে রাতের তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।
এদিন শ্রীনিকেতন ছাড়াও সিউড়িতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.২ ডিগ্রি, বহরমপুরে ৮.৪ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগর ও কাঁথিতে ৯ ডিগ্রি এবং ক্যানিংয়েও ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে, এরপর হাওয়ার গতিপ্রকৃতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
তবে আপাতত বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ও শীতল দিনের চরম পরিস্থিতি চলছে। এছাড়াও হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায় শীতল দিনের পরিস্থিতি জারি রয়েছে। এসব এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৪.৫ ডিগ্রি কম।
এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বেলা পর্যন্ত আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকতে পারে। কলকাতা-সহ অন্যান্য জেলাতেও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে লাদাখ। দেশের শীতলতম অঞ্চল হিসেবে ফের উঠে এল লাদাখের দ্রাস। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে মাইনাস ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। লেহ-তে পারদ নেমেছে মাইনাস ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে লাদাখের মধ্যে তুলনামূলকভাবে উষ্ণতম এলাকা কার্গিলের গারকোন গ্রাম— সেখানেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মাইনাস ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।