এবারের বিশ্বকাপে ইরান দল নামবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। এরই মাঝে আচমকা বড় সিদ্ধান্ত নিলো সে’দেশের প্রশাসন। তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশগুলিতে খেলার জন্য দল পাঠাবে না তারা। সেদেশের ক্রীড়ামন্ত্রকের পক্ষ থেকে ইরানের ট্রাক্টর এফসির সঙ্গে আরব আমিরশাহীর একটি ক্লাবের ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচের আগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি বিবৃতিতে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রক জানিয়েছে যে দেশগুলি শত্রুভাবাপন্ন এবং ইরানি অ্যাথলিট ও দলীয় সদস্যদের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়, সেই সব দেশে জাতীয় দল বা ক্লাব দলের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ দেওয়া হল। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নির্দেশিকা বজায় থাকবে বলেও জানিয়েছে তারা। ঘোষিত এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ফুটবল ফেডারেশন এবং সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলো এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে বিষয়টি জানাবে, যাতে ম্যাচগুলো অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়া যায়। তবে, বিবৃতিতে শত্রুভাবাপন্ন হিসাবে বিবেচিত দেশগুলোর কোনও তালিকা দেওয়া হয়নি।
যদিও, এই বিবৃতিতে আসন্ন বিশ্বকাপের উল্লেখ করা হয়নি। তবে দেশের ক্রীড়ামন্ত্রকের এহেন সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ইরানের দাবি মতো বিশ্বকাপের ম্যাচ যদি মেক্সিকোতে স্থানান্তরিত করা না হয় সেক্ষেত্রে কি আমেরিকায় আদৌ দল পাঠাবে তারা?
এই প্রসঙ্গে বলা যায়, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে গত বুধবার এফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ড্র করা হয়েছে। ঘোষিত সেই সূচি অনুযায়ী, সৌদি আরবে প্লে-অফ ম্যাচে অংশ নেবে ট্র্যাক্টর। তার আগে মঙ্গলবারই এএফসি জানিয়েছিল, যুদ্ধের কারণে স্থগিত থাকা পশ্চিমাঞ্চলীয় প্লে-অফ ম্যাচগুলি আগামী ১৩-১৪ এপ্রিল জেদ্দায় আয়োজিত হবে।
সৌদি আরবের এই শহরেই আগামী ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচগুলো খেলা হবে। এমনকী সেখানে সেমিফাইনাল, ফাইনাল আয়োজনের কথাও ভাবছে এএফসি। যদিও, আচমকা ইরানের এই সিদ্ধান্তে সেদেশের ক্লাবগুলোর এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।