ফ্রান্সকে হারিয়ে লামিন ইয়ামালরা ১৬ বছর পর ফের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেন রেফারির যে শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই, সেই বাঁশি বেজে উঠতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন স্প্যানিশ ফুটবলাররা। তবে আসল উৎসব শুরু হয় ড্রেসিংরুমে। গান, নাচ, হাসি আর উল্লাসে যেন একেবারে উৎসবের আবহ তৈরি হয় স্পেনের সাজঘরে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্প্যানিশ দলের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ড্রেসিংরুমে ঢুকেই একে অপরকে জড়িয়ে ধরছেন ফুটবলাররা। কেউ লাফাচ্ছেন, কেউ হাততালি দিচ্ছেন, আবার কেউ দলের জার্সি ঘুরিয়ে নাচছেন। দলের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ ফুটবলার— সকলেই সেই আনন্দে সামিল হন। বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার স্বপ্নপূরণের মুহূর্তে যেন আবেগ ধরে রাখতে পারেননি কেউ।
স্পেনের ফুটবলারদের মুখে তখন একটাই সুর— ‘ফাইনাল, ফাইনাল’। সতীর্থদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় একাধিক তারকাকে। কোচিং স্টাফরাও এই উদ্যাপনে যোগ দেন। ম্যাচের চাপ কাটিয়ে গোটা দল যেন একসঙ্গে উপভোগ করে ঐতিহাসিক জয়ের মুহূর্ত।
এই ম্যাচ জিতে ২০১০-এর পর প্রথম বার বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছে স্পেন। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে গোল করেন মিকেল ওয়ারিয়াসাবাল (পেনাল্টি) এবং পেদ্রো পোরো। পুরো ম্যাচেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে প্রতিপক্ষকে কার্যত নিষ্প্রভ করে দেন স্প্যানিশরা।
ড্রেসিংরুমের সেই উন্মাদনার মধ্যেই অবশ্য ফুটবলারদের বার্তা ছিল স্পষ্ট— কাজ এখনও শেষ হয়নি। সামনে বিশ্বকাপ ফাইনাল। সেখানে জয় পেলেই ১৬ বথর পর ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে স্পেনের। তাই উৎসবের মাঝেও লক্ষ্য এখন একটাই— শেষ ধাপ পেরিয়ে ট্রফি ঘরে তোলা।