থই থই করছে ক্রিকেটপ্রেমীদের জোয়ার ইডেন উদ্যানে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের খেলায় সম্মুখ সমরে ভারত আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মরণ-বাঁচন মহারণে একে অপরকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার জন্য সূর্যকুমার যাদব ও সাই হোপ অঙ্গীকারবদ্ধ। টসে জিতে ভারত ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। খেলার শুরু থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা আগ্রাসী ভূমিকা নিয়ে খেলতে থাকেন।
বিশেষ করে দুই ওপেনার সাই হোপ ও রস্টন চেস বেশ হাত খুলে ব্যাট করছিলেন। ভারতীয় বোলারদের স্বচ্ছন্দে খেলছিলেন। ৬৮ রানের মাথায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম উইকেটের পতন হয়। সাই হোপ সরাসরি বোল্ড আউট হন বরুণ চক্রবর্তীর বলে। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান। ৩৩টি বল খেলে মেরেছেন তিনটি চার ও একটি ছক্কা। ১০২ রানের মাথায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় উইকেটটি পড়ে। আউট হন হেটমায়ার। তিনি ২৭ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান। যশপ্রীত বুমরার বলে হেটমায়ার ক্যাচ তুলে দেন সঞ্জু স্যামসনের হাতে।
রস্টন চেসের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তৃতীয় উইকেটে। রস্টন চেস ৪০ রানে আউট হয়ে মাঠের বাইরে চলে যান। তিনি ২৫টি বল খেলেছেন। এই উইকেটটি তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। সূর্যকুমার যাদব দুরন্ত ক্যাচ তুলে নেন। তারপরে অনেকেই ভেবেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ খুব একটা বড় রানের স্কোরবোর্ড তৈরি করতে পারবে না। শেরফানে রাদারফোর্ড ১৪ রান করেন। হার্দিক পাণ্ডিয়ার বলে তিনি তালুবন্দি হন সঞ্জু স্যামসনের হাতে। কিন্তু পঞ্চম উইকেট জুটিতে রভমান পাওয়েল ও জসন হোল্ডার শক্ত হাতে ব্যাট করতে থাকেন।
ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বোলার পরিবর্তন করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শিবিরে আঘাত হানতে পারেননি। পাওয়েল ও জসন হোল্ডার অপরাজিত থেকে যান। রভমান পাওয়েল ৩৪ ও জসন হোল্ডার ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান করে। ভারতের সামনে তারা ১৯৬ রানের টার্গেট রাখে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভারত অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিশানকে হারিয়ে ২ উইকেটে ৫৯ রানে খেলছে।