­বেঙ্গালুরুতেই আইপিএল ক্রিকেট খেলতে চান বিরাট কোহলিরা

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএলের ম্যাচ আয়োজন করতে চায় । তারা প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা বসিয়েদর্শকদের সামলানোর ব্যবস্থা করতে চাইছে। অনুমতি চেয়ে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার কাছে আবেদনও করা হয়েছে। ক্যামেরা বসানোর পুরো খরচও আরসিবি দেবে।
আরসিবি জানিয়েছে, গোটা স্টেডিয়ামে ৩০০-৩৫০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ক্যামেরা বসানো হবে।

এককালীন যে সাড়ে চার কোটি টাকা খরচ হবে তার পুরোটাই তারা দেবে। এই ক্যামেরা বসানো হলে পুলিশ এবং কর্নাটক সংস্থা সহজেই দর্শকদের গতিবিধি বুঝতে পারবে, সুশৃঙ্খল লাইন সাজাতে পারবে এবং কেউ অনুমতি ছাড়া স্টেডিয়ামে ঢুকতে চাইছেন কি না তা বুঝতে পারবে। সঙ্গে সঙ্গে তথ্য চলে আসবে সার্ভারের কাছে।

গত বছর ট্রফি নিয়ে আরসিবি-র উচ্ছ্বাসের সময় প্রাণ হারিয়েছিলেন ১১ জন। তার পর থেকে চিন্নাস্বামীতে সব খেলা বন্ধ। এ বছর আইপিএল হওয়ার সম্ভাবনাও কম। তবু আরসিবি মরিয়া হয়ে একটা চেষ্টা করছে।


একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছে আরসিবি। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এবং তথ্য নির্ভরতার সাহায্যে সাফল্যের সঙ্গে দর্শকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার অতীত ইতিহাস রয়েছে ওই সংস্থার। তারা বিহার পুলিশ এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের হয়ে কাজ করেছে।

অতীতে উত্তরপ্রদেশের জেল এবং প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের ৬০টি জায়গায় ৩০০০-এরও বেশি ক্যামেরা বসিয়েছে তারা। এর ফলে সুরক্ষাভঙ্গ, হিংসা, অতিরিক্ত মানুষের হাজির হওয়া এবং বিনা অনুমতিতে প্রবেশের মতো ঘটনা আটকানো গিয়েছে।

আরসিবি-র দাবি, ওই সংস্থার বিশ্বমানের প্রযুক্তির সাহায্যে সহজেই কোনও বস্তু, মানুষ বা যানবাহন বোঝা যাবে। সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারবে। ম্যাচের দিন ক্যামেরার সাহায্যে মসৃণ ভাবে সব কিছু পরিচালনা করা যাবে।

ওই ক্যামেরাগুলি ভিডিয়ো, শব্দ এবং লিখিত আকারে তথ্য জানাতে থাকবে। যদি আরসিবি অনুমতি না পায়, তা হলে বিকল্প হিসাবে তারা রায়পুর বা পুণের মাঠে খেলার আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে।