অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতে রবিবারই দেশে ফিরলেন ভারতীয় দল। বিমানবন্দরে বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ মাত্রেদের স্বাগত জানাতে দুপুর থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন হাজার হাজার ক্রিকেটপ্রেমীরা। উপস্থিত ছিলেন মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং বিসিসিআইয়ের কর্তারাও। বিশ্বজয়ী ক্রিকেটারদের ফুলের স্তবক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। ক্রিকেটারদের জন্য জাতীয় পতাকা, ফুল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন বিমানবন্দরে উপস্থিত দর্শকরা।
সমর্থকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ ছিল তরুণ বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে। ভারতীয় ক্রিকেটে বর্তমানে সবচেয়ে চর্চিত নাম বোধহয় তিনি। সদ্য ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব -১৯ বিশ্বকাপ খেতাব জিতেছেন তিনি। তবে, শুধু খেতাব জেতাই নয়, পুরো টুর্নামেন্টে জুড়ে দুরন্ত খেলার পুরস্কার হিসেবে বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। যদিও, তা নিয়ে এখনই উচ্ছ্বাসে ভাসতে রাজি নন তরুণ বৈভব। বরং, বিশ্বকাপ জয়কে জীবনের প্রথম ধাপ হিসেবে দেখতে চান তিনি। তাই, নিজের পারফরম্যান্সে খুশি হলেও তাঁর মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস নেই। বিষয়টি নিয়ে বৈভব জানিয়েছেন, দলের সাফল্যে নিজের অবদান রাখতে পেরে ভীষণ খুশি তিনি। পাশাপাশি, জীবনের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামার আগে যে একটা চাপ কাজ করছিল, তাও স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। ভারতের এই ওপেনার বলেন, একটা চাপ অবশ্যই ছিল। ফাইনালের আগের রাতে ঘুম হয়নি। তাঁর মতে, হয়তো ১ বা ২ ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন তিনি। তবে, বৈভবের পাশাপাশি উন্মাদনা ছিল অধিনায়ক মাত্রে এবং অভিজ্ঞানকে ঘিরেও।
বিশ্বজয়ী অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রের পরিবার এদিন বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। ছেলের অধিনায়কত্বে দেশ বিশ্বকাপ জেতায় স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছসিত বাবা যোগেশ কমলাকর মাত্রে। তিনি জানান, দেশকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতিয়ে আয়ুষ গোটা দেশকে গর্বিত করেছে। তাই বাবা হিসাবে তিনিও বেশ গর্বিত।