এই মুহূর্তে ভারতীয় ফুটবল অনিশ্চয়তায়। কবে হবে আইএসএল বা আই লিগ? কেউ জানেন না। টেবিলে ফেডারেশনের সঙ্গে ক্লাবগুলির বৈঠক, সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ ইত্যাদির পরেও কোনও সমাধানের পথ বের হয়নি। তাছাড়া নামতে নামতে ফিফা ক্রমতালিকায় ১৪২-এ চলে গিয়েছে ভারত। এত ‘আঁধারে’র মাঝেও কিছুটা আলো দেখতে পাওয়া দেখা গেল ভারতীয় ফুটবলে।
ফিফার তালিকায় বাড়ল ভারতীয় রেফারির সংখ্যা।ফিফার তালিকায় আরওতিন ভারতীয় রেফারির নাম যৌগ হল। এরমধ্যে রয়েছেন এক মহিলাও। তিনি হলেন রচনা কামানি। দ্বিতীয় মহিলা রেফারি হিসাবে ফিফার স্বীকৃতি পেলেন গুজরাটের রচনা। তাছাড়াও জায়গা করে নিয়েছেন পুদুচেরির অশ্বিন কুমার, দিল্লির আদিত্য পুরকায়স্থরা।
সারা ভারত ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, অশ্বিন কুমার এবং পুরকায়স্থ কুয়ালা লামপুরে এএফসি রেফারি অ্যাকাডেমি কোর্স সম্পন্ন করেছেন। রচনাও এখন একই কোর্স করছেন। এবাদে ফিফার সহকারী রেফারির তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আরও দুই ভারতীয়। তাঁদের একজন পুদুচেরির মুরলীধরন পান্ডুরঙ্গন এবং মহারাষ্ট্রর ক্রিস্টোফার পিটার।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের জন্য ফিফার ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকায় ভারতের ১৯ জন ম্যাচ অফিসিয়ালের নাম রয়েছে। বাংলার সুমন্ত দত্ত, উজ্জ্বল হালদার আর সৌরভ সরকার আছেন।
ফিফা আন্তর্জাতিক ম্যাচ রেফারিরা হলেন: ভেঙ্কটেশ আর, হরিশ কুণ্ডু, সেন্থিল নাথান সেকারন, ক্রিস্টাল জন, অশ্বিন কুমার, আদিত্য পুরকায়স্থ, রঞ্জিতা দেবী টেকচাম, রচনা হাসমুখভাই কামানি। সহকারী রেফারি:ভাইরামুথু পরশুরামন, সুমন্ত দত্ত, অরুণ শশীধরন পিল্লাই, উজ্জ্বল হালদার, মুরলীধরন পান্ডুরঙ্গন, দীপেশ মনোহর সাওয়ান্ত, সৌরভ সরকার, ক্রিস্টোফার পিটার, রিওহলাং ধর, এলংবাম দেবালা দেবী।