ঘরের মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ২৪৩ রান তুলেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তা সত্ত্বেও হার এড়াতে পারলো না হার্দিক পান্ডিয়ার দল। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নেমে ১৮.৪ ওভারে সহজেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় হায়দরাবাদ।
এদিকে পরপর ম্যাচ হেরে মাঠে উপস্থিত সমর্থকদের উপর ক্ষোভপ্রকাশ করতে দেখা গেল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াকে। আসলে, ম্যাচ চলাকালীন অভিষেক শর্মা, ট্রেভিস হেডরা বড় শট মারলে মুম্বাই সমর্থকদের একটা অংশ উল্লাস করছিল। যা নজর এড়ায়নি হার্দিকেরও। ম্যাচ শেষে বিষয়টি নিয়ে মুম্বাই অধিনায়ক জানান, তারা হয়তো মাঠে উপস্থিত সমর্থকদের খুব একটা আনন্দ দিতে পারেননি। এরপরেই তিনি বলেন, যখন দেখেন ঘরের মাঠে সমর্থকরা প্রতিপক্ষের নামে জয়ধ্বনি হচ্ছে তখন খারাপ লাগে। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, শুধু হায়দরাবাদ ম্যাচে নয়, চলতি আইপিএলে মুম্বই-বেঙ্গালুরু ম্যাচেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। বিরাট কোহলিদের সমর্থন করেছে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের একটা অংশ। হার্দিক মনে করছেন, এই ঘটনায় দলের খেলোয়াড়দের মনোবল কিছুটা হলেও ভেঙে যাচ্ছে।
চলতি আইপিএলে ঘরের মাঠে এখনও অবধি পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে মুম্বই। প্রথম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারালেও পরের চার ম্যাচে যথাক্রমে বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব, চেন্নাই ও হায়দরাবাদের কাছে হারতে হয়েছে তাদের। যদিও, পরপর ম্যাচ হারলেও ভেঙে পড়তে রাজি নন মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিক। এই পরিস্থিতি থেকেও ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তিনি। ম্যাচ শেষে জানালেন, ভাল খেলে জিততে পারলে তবেই সমর্থকরা খুশি হবেন।
এদিকে, অসুস্থ অবস্থায়ও বুধবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বাই ও হায়দরাবাদ ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন বিনোদ কাম্বলি। কিছুদিন আগেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। এখনও পুরোপুরি সুস্থ হননি কাম্বলি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে। তবে, সেসব কিছুর তোয়াক্কা না করেই এদিন ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন কাম্বলি।