বিসিসিআইয়ের পরিকল্পনা ভবিষ্যতে ভারতের মাটিতে বেশি করে প্রতিযোগিতা আয়োজন করার

বিসিসিআই (File Photo)

করোনাকালে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এবং করোনাকে রুখে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব এবং টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরের মাঠে আয়োজন করার কথা থাকলেও তা সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে মরু শহরে বাধ্য হয়ে।

এরফলে চলতি বছরে আইসিসি অনুমোদিত কোনও বড় প্রতিযোগিতার ভারতের মাটিতে বসে নি। সেজন্য সৌরভের বোর্ড এবার উঠে পড়ে লেগেছে নিজেদের দেশে আইসিসি অনুমোদিত প্রতিযোগিতার আসর বসানোর জন্য।

বলে রাখা ভালো, চলতি বছরে আইসিসি অনুমোদিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন না হলেও, ২০২৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপের আসর ভারতের মাটিতেই বসার কথা রয়েছে। তবে এখানেই থেমে থাকতে চাইছে না সৌরভ গাঙ্গুলির বোর্ড। তারা ঘরের মাঠে আরও বেশি আইসিসি অনুমোদিত প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে উদ্যোগী হয়েছেন।


এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিসিসিআই আরও বেশি আইসিসি অনুমোদিত প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চাইছে। তারা ইতিমধ্যে একটি পরিকল্পনাও তৈরি করে ফেলেছে। পরিস্থিতি ঠিক থাকলে বিসিসিআইয়ের পরিকল্পনা পাঠানো হতে পারে আইসিসি’র কাছে।

সব দিক বিচার করলে, আগামী আট বছরের মধ্যে আইসিসি’র অন্তত তিনটি বড় প্রতিযোগিতা ভারতের মাটিতে আয়োজন করাটাই বিসিসিআইয়ের এখন প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইসিসি আবারও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর যেমন ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে, ঠিক তেমনই শোনা যাচ্ছে আইসিসি ষোলো দলের পরিবর্তে কুড়িটি দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর আয়োজনে মুখিয়ে রয়েছে।

পাশাপাশি একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা সাধারণ দর্শটি দল নিয়ে আয়োজন করা হয়। তবে ২০২৭ ও ২০৩১ সালে চোদ্দটি দল নিয়ে ওই প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। সব পরিকল্পনা মাফিক চললে, অনেক পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে সৌরভ গাঙ্গুলির বোর্ডের কর্তারা এখন নিজেদের ঘরের মাঠে বেশি করে আইসিসি অনুমোদিত প্রতিযোগিতা করতে আগ্রহী। বিশেষ করে করোনাকালে প্রায় প্রতিটা দেশের ক্রিকেট বোর্ডের পরিকাঠামো এবং আর্থিক দুর্দশা দেখা দিয়েছে।

তবে করোনাকে হারিয়ে আস্তে আস্তে আবারও সাধারণভাবে আগের মতন সমর্থকদের নিয়ে খেলা শুরু হয়েছে। কিন্তু, এত তাড়াতাড়ি সব কিছুর ধাক্কা তো সামলে উঠতে পারবে না।

তাই এখন প্রতিটা ক্রিকেট বোর্ডই নিজেদের আর্থিক দুরাবস্থা মেটাতে প্রতিযোগিতা আয়োজনে ব্যস্ত রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, কতটা তারা নিজেদের আর্থিক দিক থেকে সবকিছু সামলে নিতে পারে ভবিষ্যতে।