ইডেনে লেজার শোয়ের বিরোধিতায় সুনীল গাভাসকার

ফাইল চিত্র

চলতি বিশ্বকাপে অবশেষে কলকাতার ইডেন উদ্যানে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ভারত। রবিবার সুপার এইটের ম্যাচে প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছে ভারত। এদিকে, প্রথমবারের মতো কলকাতায় নিজের প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে দর্শকদের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা ছিল। স্টেডিয়ামে প্রায় কোনও দর্শকাসনই যে ফাঁকা ছিল না, তা বলাই বাহুল্য। মাঠে উপস্থিত দর্শকদের জন্য ছিল ভরপুর বিনোদনের ব্যবস্থা। তারমধ্যে অন্যতম লেজার শো। কিন্তু, খেলা চলাকালীন এই শো’য়ের তীব্র বিরোধিতা করলেন সুনীল গাভাসকর। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ তিনি। প্রশ্ন তুলেছেন, এই ধরণের শো’য়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও। প্রায় একই কথা শোনা গেছে, ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীর মুখেও।

রবিবার ইডেনে ভারতের ইনিংস চলাকালীন পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরেই পূর্ব-নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই লেজার শো শুরু করা হয়। কিন্তু, সেইসময় অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষানের উইকেট হারিয়ে রীতিমতো চাপে ভারত। সেই পরিস্থিতিতে মাঠের আলো কমিয়ে প্রায় তিন মিনিট ধরে এই লেজার শো চলে। ওই সময়ে পানীয় বিরতির জন্য মাঠ থেকে বেরিয়ে আসেন ক্রিকেটাররা।

তবে, মাঠে ফিরে ফের একবার ফ্লাডলাইটের আলোর সঙ্গে মানিয়ে নিতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিশেষ সমস্যা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরেই লেজার শো নিয়ে নিজেদের ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন গাভাসকার-শাস্ত্রীরা। গাভাসকারের মতে, বিশ্বকাপের মতো তিন মিনিটেই এই শো ব্যাটসম্যান এবং বোলার, উভয়ের জন্যই বেশ কষ্টকর। একইসঙ্গে, এই শো’য়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি প্রাক্তন ভারতীয় কোচ রবি শাস্ত্রী মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে আলোর এই বদলের ফলে ক্রিকেটারদের মনসংযোগে ব্যাঘাত ঘটে। আলোর সঙ্গে দৃষ্টির বদল ঘটানো, মানিয়ে নেওয়াটা মোটেও সহজ নয় বলে জানান তিনি। এমনকি, লেজার শো’র বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভেবে দেখা দরকার বলেও উল্লেখ করেন রোহিতদের প্রাক্তন কোচ।