নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ জেতা সহজ নয়। প্রতিপক্ষের ঘরের মাঠে গিয়ে শুধু শক্তিশালী দল হওয়ার পরিচয় দিলেই হবে না, মাঠে নেমে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে।
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ শুরুর আগে এই বার্তাই দিলেন ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী। তাঁর মতে, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাফল্য পেতে হলে প্রথম থেকেই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে হবে ভারতকে। প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার পাশাপাশি তাদের পাল্টা আক্রমণ সামলানোর মানসিকতাও রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত-নিউজিল্যান্ড পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। তার পরে রয়েছে পাঁচ ম্যাচের এক দিনের সিরিজ। ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সফরের শেষ পর্বে ১৯ নভেম্বর থেকে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে দু’টি টেস্ট খেলবে ভারত।
সিরিজ শুরুর আগে সম্প্রচারকারী সংস্থা সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কের একটি অনুষ্ঠানে শাস্ত্রী বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ভারতের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ওরা নিজেদের পরিবেশ সম্পর্কে জানে, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভাল ভাবে প্রস্তুতি নেয় এবং কোনও জয়ই সহজে পেতে দেয় না। ভারতের হাতে যথেষ্ট শক্তি রয়েছে। কিন্তু শুধু সুনাম দিয়ে এই সিরিজ জেতা যাবে না।
সেখানেকই থামেননি ভারতের প্রাক্তন কোচ। তাঁর তমতে, শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ডের উপর চাপ ফিরিয়ে দিতে হবে ভারতকে।
শাস্ত্রীর কথায়, ‘ভারতকে মাঠে নেমে প্রথমে চাপ সামলাতে হবে। তার পরে সেই চাপ সরাসরি নিউজিল্যান্ডের উপর ফিরিয়ে দিতে হবে। ২২ অক্টোবর প্রথম টি-টোয়েন্টি থেকেই ভারত সেটা করতে পারে কি না, সেটাই আমি দেখতে চাই। ‘
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু ভারত-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তার আগে ভারতীয় দলকে সতর্ক করে দিলেন প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী। তাঁর মতে, নিজেদের ক্রিকেটীয় সুনামের উপর নির্ভর করলে চলবে না।
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ জেতা সহজ নয়। প্রতিপক্ষের ঘরের মাঠে গিয়ে শুধু শক্তিশালী দল হওয়ার পরিচয় দিলেই হবে না, মাঠে নেমে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে।
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ শুরুর আগে এই বার্তাই দিলেন ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী। তাঁর মতে, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাফল্য পেতে হলে প্রথম থেকেই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে হবে ভারতকে। প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার পাশাপাশি তাদের পাল্টা আক্রমণ সামলানোর মানসিকতাও রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত-নিউজিল্যান্ড পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। তার পরে রয়েছে পাঁচ ম্যাচের এক দিনের সিরিজ। ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সফরের শেষ পর্বে ১৯ নভেম্বর থেকে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে দু’টি টেস্ট খেলবে ভারত।
সিরিজ শুরুর আগে সম্প্রচারকারী সংস্থা সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কের একটি বিবৃতিতে শাস্ত্রী বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ভারতের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ওরা নিজেদের পরিবেশ সম্পর্কে জানে, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভাল ভাবে প্রস্তুতি নেয় এবং কোনও জয়ই সহজে পেতে দেয় না। ভারতের হাতে যথেষ্ট শক্তি রয়েছে। কিন্তু শুধু সুনাম দিয়ে এই সিরিজ জেতা যাবে না।’
সেখানেই থামেননি ভারতের প্রাক্তন কোচ। তাঁর মতে, শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ডের উপর চাপ ফিরিয়ে দিতে হবে ভারতকে।
শাস্ত্রীর কথায়, ‘ভারতকে মাঠে নেমে প্রথমে চাপ সামলাতে হবে। তার পরে সেই চাপ সরাসরি নিউজিল্যান্ডের উপর ফিরিয়ে দিতে হবে। ২২ অক্টোবর প্রথম টি-টোয়েন্টি থেকেই ভারত সেটা করতে পারে কি না, সেটাই আমি দেখতে চাই।’
নিউজিল্যান্ড সফরে শুধু টি-টোয়েন্টি বা এক দিনের ক্রিকেট নয়, বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে টেস্ট সিরিজেরও। ভারতের প্রাক্তন টেস্ট অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের মতে, ২০২৭ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার দৌড়ে থাকতে হলে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু’টি টেস্টেই জিততে হবে ভারতকে। আগামী বছরের ৯ থেকে ১৩ জুন লন্ডনের ওভালে হবে ফাইনাল।
রাহানে বলেন, *“ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেস্ট ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। ভারতীয় ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার দৌড়ে থাকতে হলে দু’টি টেস্টেই জয় পাওয়া অত্যন্ত জরুরি।”*
ভারতীয় দলে অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমারের প্রত্যাবর্তনেও খুশি রাহানে। তাঁর মতে, টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভুবনেশ্বরের অভিজ্ঞতা কাজে আসবে।
রাহানের কথায়, **“ভুবনেশ্বর কুমারকে আবার দলে দেখে আমি খুব খুশি। টি-টোয়েন্টিতে ওর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। পরপর ম্যাচ থাকায় এই সফর কঠিন হবে। দলের রিজার্ভ ক্রিকেটারদের দক্ষতাও পরীক্ষা করা হবে। আমি দলকে বলব, অনেক দূরের কথা না ভেবে একটা করে ম্যাচ নিয়ে ভাবতে। নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হবে।’
ভারতের প্রাক্তন অফস্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড সফর অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জ। কারণ, তিনটি ফরম্যাটে তিন ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় ক্রিকেটারদের।
অশ্বিন বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড সফর বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা। এই সফরে বার বার প্রমাণ করতে হয়, একটি দল কত দ্রুত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে পরিস্থিতি বুঝে খেলা, এক দিনের ক্রিকেটে ছন্দ তৈরি করা এবং টেস্টে ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা—প্রতিটি ফরম্যাটেই আলাদা চ্যালেঞ্জ রয়েছে।’
ভারতের তিনটি ফরম্যাটেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো দক্ষতা রয়েছে বলে মনে করেন অশ্বিন। তবে সেই দক্ষতাকে মাঠে প্রয়োগ করাই হবে আসল পরীক্ষা।
সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে ভারতকে একাধিক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। টি-টোয়েন্টিতে শুরু থেকেই আগ্রাসী ক্রিকেট, এক দিনের ম্যাচে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এবং টেস্টে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার লড়াই—সব ক্ষেত্রেই নিজেদের প্রমাণ করতে হবে ভারতীয় দলকে। শাস্ত্রীর বার্তা স্পষ্ট, সুনাম নয়, মাঠের পারফরম্যান্সই ঠিক করে দেবে সিরিজের ভাগ্য।