আইএসএলে দ্বিতীয় ম্যাচেও দুরন্ত জয় তুলে নিলো ইস্টবেঙ্গল। শনিবার ঘরের মাঠে এসসি দিল্লিকে ৪-১ গোলে হারাল তারা। এদিন অবশ্য শুরুটা খুব একটা ভালো অস্কার ব্রুজোর দল। খেলা শুরুর ৪ মিনিটের মধ্যেই দিল্লিকে এগিয়ে দেন লালরোচানা। যেভাবে লাল হলুদ ডিফেন্ডার জয় গুপ্তাকে কাটিয়ে ডানপায়ের দুরন্ত ভলিতে গোল করে গেলেন তিনি, তা নিঃসন্দেহে বিশেষ প্রশংসার দাবি রাখে। তবে, গোল পেতে বেশিক্ষন অপেক্ষা করতে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। ৭ মিনিটের মাথায় ফ্রিকিক পায় ইস্টবেঙ্গল। বিপিনের সেই ফ্রিকিক থেকে দিল্লি ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে গেলে তা সরাসরি গিয়ে পৌঁছায় এডমুন্ডের পায়ে। যা থেকে গোল করতে ভুল করেননি তিনি।
এই প্রসঙ্গে বলা যায়, আইএসএলের প্রথম ম্যাচেও পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন এডমুন্ড। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বক্সের মধ্যে এডমুন্ডকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। খেলার ১১ মিনিট নাগাদ পাওয়া সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি নবাগত স্প্যানিশ স্ট্রাইকার ইউসুফ ইজ্জেজারি। ২-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের চাপ আরও বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। সেইসময় কিছুটা হলেও চাপে পরে গিয়েছিল দিল্লির তরুণ খেলোয়াড়রা। খেলার এই অর্ধে ৪০ মিনিটে লাল হলুদের হয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে যান সেই ইজ্জেজারি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে খেলায় ফেরার কিছুটা চেষ্টা করেছিল দিল্লি। বেশকিছু ভালো সুযোগও তৈরি করেছিল তারা। তবে, ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ সতর্ক থাকায় গোল করতে পারেনি দিল্লি দলটি।দলের হয়ে কিছু ভালো সেভ করেন ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক প্রভসুখান গিল । নাহলে, গোল পেতেই পারতো দিল্লি। এদিকে, চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলেননি মিডফিল্ডার সাউল ক্রেসপো। তবে, মাঠে তাঁর অভাব বুঝতে দিলেন না জিকসন সিং, মিগুয়েল’রা। এরপর খেলার একেবারে শেষলগ্নে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করে যান ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল।
এই ম্যাচ জিতে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো। জানালেন তিনজন বিদেশি ফুটবলার নিয়েও যেভাবে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছে তাঁর দল তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। পাশাপাশি, প্রতিপক্ষ দিল্লি দলেরও বিশেষ প্রশংসা শোনা গেল অস্কারের গলায়। এদিকে, পরপর দুই ম্যাচ জিতে শীর্ষস্থান আরও মজবুত
করল ইস্টবেঙ্গল।