‘মোহনবাগানের মা’ নামে পরিচিত শান্তি চক্রবর্তী শুক্রবার প্রয়াত হন। সবুজ-মেরুন গ্যালারিতে তিনি সবার কাছে দারুণভাবে পরিচিত । প্রতিটি ম্যাচেই মাঠে হাজির থেকে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করতেন শান্তি দেবী। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন এবং বিআর সিং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। হাসপাতালে গিয়ে ফুটবল সচিব স্বপন ব্যানার্জি মোহনবাগান মা শান্তি চক্রবর্তীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। শনিবার দুপুরে তাঁর মরদেহ নিয়ে আসা হয় মোহনবাগান ক্লাব তাঁবুতে। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস ও ফুটবল সচিব স্বপন ব্যানার্জি।
মধ্য কলকাতার অক্রুর দত্ত লেনের বাসিন্দা ছিলেন শান্তি চক্রবর্তী। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল প্রায় পঁচাশি বছর। কিন্তু মাঠে আসতে বয়স কোনোদিনই দমিয়ে রাখতে পারেনি শান্তি দেবীকে। নাতনির হাত ধরে প্রিয় দলের খেলা দেখতে ময়দানের মোহনবাগান হোক বা যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন সর্বত্র তাঁর দেখা পাওয়া যেত। এমনকি, সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে সমর্থন করতে একবার কটকেও গিয়েছিলেন তিনি। ফুটবলাররার অত্যন্ত স্নেহ করতেন তাঁকে। ক্লাবের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার পুরস্কার হিসেবে উমাকান্ত পালধির নামাঙ্কিত সেরা সমর্থকের পুরস্কারও পেয়েছিলেন ‘মোহনবাগানের মা’। ২০১৫ সালে তাঁর উদ্যোগেই তৈরি হয় ‘লেডি মেরিনার্স’।
শান্তি দেবীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস জানিয়েছেন, শান্তিদেবীর নামে মোহনবাগান গ্যালারির একটা সিটের নামকরণ করা হবে। তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকেও শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে।