কলকাতা ফুটবল লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনে আবার হারের মুখে পড়ল মহামেডান স্পোর্টিং। শুক্রবার নৈহাটি স্টেডিয়ামে সাদা-কালো ব্রিগেড মুখোমুখি হয়েছিল পিয়ারলেস স্পোর্টস ক্লাবের বিরুদ্ধে। সুপার সিক্সে মহামেডান পৌঁছে গেলেও এই ম্যাচটার দিকে সাদা-কালো শিবিরের সমর্থকদের নজর ছিল। মেহরাজউদ্দিন ওয়াড়ু কোচের পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পরে সাদা-কালো শিবিরের ফুটবলাররা কীভাবে প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারেন, তারই পরীক্ষা ছিল। শাহিদ রামন কোচের দায়িত্ব নিয়ে দলকে পরিচালনা করছেন।
কোচ সন্দীপ নন্দীর পরিচালনায় পিয়ারলেস এবারে লিগের খেলায় বেশ কয়েকটি ম্যাচে চমক দিয়েছে। শুক্রবার পিয়ারলেস কঠিন লড়াই গড়ে তুলে শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে হারিয়ে দিল মহামেডান স্পোর্টিংকে। খেলার শুরু থেকেই পিয়ারলেসের খেলোয়াড়রা পরিকল্পিত ফুটবল খেলতে থাকেন। এমনকি তিন-চারটে সুযোগ তৈরি করে ফেলেছিল পিয়ারলেস গোল করার লক্ষ্যে। কিন্তু অনীশ মজুমদার, বিমান ভুঁইয়া ও সুরজিৎ নায়করা তা হাতছাড়া করেন। তবে খেলার ৪৪ মিনিটের মাথায় সুমন হেমব্রমের বাড়ানো বলে সুরজিৎ নায়ক গোল করে দলকে এগিয়ে রাখেন।
দ্বিতীয় পর্বে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের ফুটবলাররা খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনার জন্য গতি পরিবর্তন করে খেলতে থাকেন। বিশেষ করে মহীতোষ রায়, রাহুল নস্কর ও যোসেফরা আক্রমণ গড়ে তোলেন। কিন্তু পিয়ারলেসের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা যেভাবে ব্যারিকেড তৈরি করেছিলেন, তা ভেঙে প্রবেশ করা তাঁদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বরঞ্চ পাল্টা আঘাত হেনে পিয়ারলেস আবার গোল পেয়ে যায়। খেলার ৬৫ মিনিটের মাথায় তুষার হেমব্রম দুরন্ত গোল করে পিয়ারলেসের জয়কে নিশ্চিত করে দেন। খেলার শেষের দিকে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের কোচ খেলোয়াড় পরিবর্তন করেও কোনও লাভের অঙ্ক দেখতে পাননি। শেষ পর্যন্ত পিয়ারলেস জয়ের হাসি হেসে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
কোচ সন্দীপ নন্দীর পরিচালনায় পিয়ারলেস এবারে লিগের খেলায় বেশ কয়েকটি ম্যাচে চমক দিয়েছে। শুক্রবার পিয়ারলেস কঠিন লড়াই গড়ে তুলে শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে হারিয়ে দিল মহামেডান স্পোর্টিংকে। খেলার শুরু থেকেই পিয়ারলেসের খেলোয়াড়রা পরিকল্পিত ফুটবল খেলতে থাকেন। এমনকি তিন-চারটে সুযোগ তৈরি করে ফেলেছিল পিয়ারলেস গোল করার লক্ষ্যে। কিন্তু অনীশ মজুমদার, বিমান ভুঁইয়া ও সুরজিৎ নায়করা তা হাতছাড়া করেন। তবে খেলার ৪৪ মিনিটের মাথায় সুমন হেমব্রমের বাড়ানো বলে সুরজিৎ নায়ক গোল করে দলকে এগিয়ে রাখেন।
দ্বিতীয় পর্বে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের ফুটবলাররা খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনার জন্য গতি পরিবর্তন করে খেলতে থাকেন। বিশেষ করে মহীতোষ রায়, রাহুল নস্কর ও যোসেফরা আক্রমণ গড়ে তোলেন। কিন্তু পিয়ারলেসের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা যেভাবে ব্যারিকেড তৈরি করেছিলেন, তা ভেঙে প্রবেশ করা তাঁদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বরঞ্চ পাল্টা আঘাত হেনে পিয়ারলেস আবার গোল পেয়ে যায়। খেলার ৬৫ মিনিটের মাথায় তুষার হেমব্রম দুরন্ত গোল করে পিয়ারলেসের জয়কে নিশ্চিত করে দেন। খেলার শেষের দিকে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের কোচ খেলোয়াড় পরিবর্তন করেও কোনও লাভের অঙ্ক দেখতে পাননি। শেষ পর্যন্ত পিয়ারলেস জয়ের হাসি হেসে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।