টসে জিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার কলকাতা দলে বোলারদের প্রাধান্য দিয়ে খেলতে নামেন অজিঙ্কা রাহানেরা। প্রথম থেকেই আক্রমণ শানাতে থাকেন বোলাররা। দিল্লির পাথুম নিসাঙ্কা ও লোকেশ রাহুল জুটি ঝড়ের গতিতেই পাওয়ার প্লে-তে খেলতে থাকেন।
দিল্লির প্রথম উইকেটটি পড়ে ৪৯ রানের মাথায়। আউট হন লোকেশ রাহুল। কার্তিক ত্যাগির বলে রাহুল ক্যাচ তুলে দেন ক্যামেরন গ্রিনের হাতে। রাহুলের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। খেলেছেন ১৪টি বল। অবশ্য তার মধ্যে চারটি চার মেরেছিলেন। নিসাঙ্কের সঙ্গে নীতীশ রানা দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বাঁধেন। দলের ৭৪ রানের মাথায় নীতীশ ক্যামেরন গ্রিনের বলে সুনীল নারাইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান। নীতীশ ১০ বল খেলে মাত্র ৮ রান করেন। রিজভি দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে আসেন। অপর প্রান্তে তখন দাঁড়িয়ে নিসাঙ্ক। দিল্লি দলের তৃতীয় উইকেটটি পড়ে ৮০ রানের মাথায়। রিজভি মাত্র ৩ রান করে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান। সুনীল নারাইনের বলে রভম্যান পাওলের হাতে ক্যাচ দেন রিজভি। চতুর্থ উইকেটে খেলতে আসেন দিল্লির অধিনায়ক স্টাবস। ৮৫ রানের মাথায় নিসাঙ্ক অনুকূল রায়ের বলে ক্যাচ তুলে দেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর হাতে। তিনি অর্ধ শতরান করেন ২৯ বলে।
অর্ধ শতরান করতে গিয়ে তিনি পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কা মারেন। অল্প সময়ের জন্য উইকেটে দাঁড়িয়েছিলেন স্টাবস। অনুকূল রায়ের বলে তিনি সরাসরি বোল্ড আউট হন। স্টাবস ৪ বল খেলে মাত্র ২ রান করেন। তিনি আউট হন দলের ৮৫ রানের মাথায়। ষষ্ঠ উইকেটে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল ও আশুতোষ শর্মা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দু’জনেই উইকেটে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আশুতোষ তখন ২০ রানে ব্যাট করছেন। এই ২০ রান করার ফাঁকে তিনি দু’টি চার ও একটি ছক্কা মারেন। অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল ২২ বলে ১১ রান করে বৈভব অরোরার বলে অনুকূল রায়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান। আশুতোষ শর্মার সঙ্গে জুটি বাঁধেন ভিপরাজ নিগম। আশুতোষ শর্মা ৩৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান। তিনি ২৮ বলে ৩৯ রান করেন। ২০ ওভার শেষে দিল্লি ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান করেছে।
নিঃসন্দেহে বলা যায়, কলকাতা দলের বোলাররা দুরন্ত বল করেছেন। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত দিল্লিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স জয় তুলে নিতে পারে কিনা।