আইপিএলের আগামী মরসুমের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২৭ আইপিএলের মিনি নিলাম হবে গোয়ায়, ডিসেম্বরে। নিলামের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে ক্রিকেটার ধরে রাখার সময়সীমাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে নিজেদের রিটেনশন তালিকা জমা দিতে হবে দলগুলিকে। তার পরেই বোঝা যাবে, কোন ক্রিকেটারকে রেখে দিচ্ছে কোন দল, আর কাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে নিলামের বাজারে।
এই নিলাম হবে এক দিনের। ১৬ ডিসেম্বর বসবে সেই নিলামের আসর। ঘটনাচক্রে, একই দিনে বেঙ্গালুরুতে ভারত-শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচও হওয়ার কথা। ফলে ক্রিকেটপ্রেমীদের ও সংবাদমাধ্যমের নজর একই দিনে থাকবে ক্রিকেটের দু’টি বড় ঘটনার দিকে।
গত তিন মরসুমে আইপিএলের নিলাম হয়েছে ভারতের বাইরে। এ বার সেই ধারা ভেঙে দেশের মাটিতে ফিরছে নিলাম। এর আগে নিলাম হয়েছে দুবাই, জেড্ডা এবং আবু ধাবিতে। এ বার আয়োজনের দায়িত্ব গোয়ার।
১৫ নভেম্বরের মধ্যে দলগুলি নিজেদের ধরে রাখা ও ছেড়ে দেওয়া ক্রিকেটারদের তালিকা জমা দেওয়ার পর আইপিএল কর্তৃপক্ষ নথিভুক্ত ক্রিকেটারদের তালিকা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির হাতে তুলে দেবে। সেই তালিকা থেকে পছন্দের ক্রিকেটারদের বেছে নেবে দলগুলি। নিলামের আগের সপ্তাহে চূড়ান্ত তালিকা এবং কোন ক্রমে ক্রিকেটারদের নাম উঠবে, সেই তথ্যও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে জানানো হবে।
২০২৬-এর আইপিএল শেষ হওয়ার পর থেকে ট্রেড উইন্ডোতে এখনও পর্যন্ত দুই ক্রিকেটারের বিনিময় হয়েছে। দু’টি ক্ষেত্রেই জড়িয়ে রয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস।
জুন মাসে লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক ঋষভ পন্থকে দিল্লিতে পাঠানো হয়। বিনিময়ে লখনউ পায় দিল্লির স্পিনার কুলদীপ যাদবকে। সম্প্রতি দিল্লি ক্যাপিটালসের পেসার টি নটরাজনকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে পাঠানো হয়েছে। বিনিময়ে দিল্লি পেয়েছে আনক্যাপড লেগস্পিনার জিশান আনসারিকে।
আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, একটি মরসুম শেষ হওয়ার এক মাস পর ট্রেড উইন্ডো খোলে। নিলামের এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত তা খোলা থাকে। নিলামের পরে আবার সেই জানলা খুলবে এবং পরের মরসুম শুরুর এক মাস আগে পর্যন্ত চলবে।
নিলামের দিন ঘোষণা হলেও ২০২৭-এর আইপিএলের সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ২০২৪-এ পরবর্তী তিন মরসুমের সম্ভাব্য সময়সীমা জানাতে গিয়ে আইপিএল কর্তৃপক্ষ ২০২৭ মরসুমের জন্য ১৪ মার্চ থেকে ৩০ মে-র সময় নির্ধারণ করেছিল। তবে আগামী বার এই লিগ ঠিক কবে শুরু হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।
২০২৭-এর মিনি নিলাম তাই দলগুলির শক্তি বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। আর তার আগে ১৫ নভেম্বরের রিটেনশন তালিকাই ঠিক করে দেবে, কোন ফ্র্যাঞ্চাইজির হাতে কতটা জায়গা থাকবে নতুন ক্রিকেটার নেওয়ার জন্য।