নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অভিষেক শর্মা ও রিঙ্কু সিংয়ের দাপট দেখতে পাওয়া গেল। অল্পের জন্য অভিষেকের শতরান হাতছাড়া হল। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৮৪ রান এসেছে। খেলেছেন মাত্র ৩৫টি বল। তাঁর ব্যাট থেকে পাঁচটি চার ও আটটি ছক্কা এসেছে। অভিষেকের উইকেট যখন ভাঙে, তখন ভারতের স্কোরবোর্ডে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান। তার আগেই আউট হয়ে গেছেন ৩২ রান করে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। যখন ভারতের স্কোরবোর্ডে ১০০ রান দেখা যায় তখন থেকেই হাত খুলে খেলেছেন অভিষেক। কোনও বোলারকেই অভিষেক রেয়াত করেননি। তবে ঈশান কিশান দলে ফিরলেও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।
পাঁচ বলে আট রান করে আউট হয়ে যান ঈশান। ওপেনার সঞ্জু স্যামসন রান পাননি। তিনি ১০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান। শিবম দুবের কাছ থেকে রান আশা করা গিয়েছিল, কিন্তু তিনি ৯ রান আউট হয়ে যান। ভারতের স্কোরবোর্ডে তখন ১৬৬ রান। সেই সময় হার্দিক পাণ্ডিয়া ও রিঙ্কু সিং দু’জনে ভারতের হাল ধরেন। হার্দিক ১৬ বলে ২৫ রান করেন। তখন ভারতের ৬ উইকেটে ১৮৫ রান। তারপরেই হাত খুলে খেলতে থাকেন রিঙ্কু সিং। রিঙ্কুর ব্যাটেই ভারতের ২০০ রান পার হয়ে যায়। ৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান অক্ষর প্যাটেল। বড় রান করার চেষ্টায় রিঙ্কু ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করেন। শেষ ওভারে রিঙ্কু ২১ রান নিয়েছেন। মাত্র ৬ রানের জন্য তাঁর অর্ধ শতরান হল না। ২০ বলে ৪৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। রিঙ্কুর দৌলতেই ভারত ৭ উইকেটে ২৩৮ রান করে।
নিউজিল্যান্ড জেতার লক্ষ্যে ২৩৯ রান টার্গেট নিয়ে মাঠে নামেন। শুরুতেই তারা ধাক্কা খায় ডি’কনওয়ের উইকেট হারিয়ে। উইকেটটি নেন আর্শদীপ সিং। দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। তিনি অনেকটা বাজপাখির মতো উড়ে গিয়ে কনওয়ের বলটি তালুবন্দি করে নেন। দ্বিতীয় বলে আর্শদীপ উইকেটটি পান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে টি রবিনসনের সঙ্গে রবীন্দ্র সঙ্গী হলেও তিনিও ব্যর্থ। হার্দিক পাণ্ডিয়ার বলে রবীন্দ্র ক্যাচ তুলে দেন অভিষেক শর্মার হাতে। তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান। তৃতীয় উইকেট জুটিতে রবিনসনের সঙ্গে খেলতে আসেন ডি ফিলিপস।
ভারতের অধিনায়ক প্রথম ওভারেই স্পিনার আর্শদীপ সিংকে ডেকে আক্রমণ শানান। হার্দিক ও আর্শদীপের বলে নিউজিল্যান্ডের খেলোয়াড়রা চাপে পড়ে যান। উইকেট যে স্পিনারদের সহায়ক, তা স্পষ্ট।
(শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত)