ভারত-ব্রাজিল ফুটবল দ্বৈরথের আগে ম্যাচ বল মাঠে নিয়ে যাবেন দুই কিংবদন্তি বিজয়ন ও ব্যারেটো

Photo: X

সাম্প্রতিককালে ভারতীয় ফুটবলে সবচেয়ে বড় ম্যাচ হতে চলেছে শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। সেই ম্যাচকে স্মরণীয় ও বিশেষ করে রাখতে চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। ভারত ও ব্রাজিলের মধ্যে এই আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলি ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে ভারতীয় ফুটবলের দুই জনপ্রিয় তারকা আইএম বিজয়ন এবং হোসে ব্যারেটো-কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁরা গুডউইল অ্যাম্বাসাডর হিসেবে এই ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন এবং ম্যাচ শুরুর আগে ম্যাচ বলটি মাঠে নিয়ে যাবেন।

ভারতীয় ফুটবলের দুই প্রাক্তন তারকার উপস্থিতি অবশ্যই এই ম্যাচে আলাদা মাত্রা যোগ করবে। তাঁদের মাধ্যমে ভারতীয় ফুটবলের বিভিন্ন প্রজন্ম একই মঞ্চে মিলিত হবে। গুডউইল অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তাঁদের উপস্থিতি এবং ম্যাচ বল মাঠে নিয়ে যাওয়ার সম্মান ফুটবলের ঐক্য, ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্মানের মূল্যবোধকেই তুলে ধরবে।

কলকাতার পক্ষেও এ এক বিশেষ সময়। ফুটবল বিশ্বের দুই মহাশক্তি ব্রাজিল ও উরুগুয়ের শহরে আগমন কলকাতার ফুটবল উন্মাদনায় নতুন করে জোয়ার এনেছে। উৎসবের মরসুমও দরজায় কড়া নাড়ছে। তারই মধ্যে পর পর দু’টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ শহরকে যেন ফুটবলের এক মহোৎসবে পরিণত করেছে। বিভিন্ন প্রজন্ম, সম্প্রদায় ও ফুটবলপ্রেমীদের এক জায়গায় এনে দিচে চলেছে এই দুই ম্যাচ।


উরুগুয়ের ফুটবলাররা ইতিমধ্যেই শহরে এসে পৌঁছে গিয়েছে। ব্রাজিলীয়রা চলে আসবে আজ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাবেলাতেই। ব্রাজিল ও উরুগুয়ের কলকাতায় উপস্থিতি শহরের ফুটবলের প্রতি গভীর ভালবাসা সেলিব্রেট করার বড় সুযোগ। একই সঙ্গে উৎসবের মরসুম শুরুর আগে তৈরি হতে চলেছে এক স্মরণীয় আবহ। এই দুই ম্যাচকে ঘিরে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তা বাংলার সংস্কৃতি ও জনজীবনে ফুটবলের বিশেষ জায়গাকেই আরও এক বার তুলে ধরছে।

ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি, প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক আইএম বিজয়ন এবং মোহনবাগানের হয়ে দেশের ক্লাব ফুটবলে খেলা কিংবদন্তি ফুটবলার হোসে ব্যারেটো— দু’জনেই তাঁদের দীর্ঘ ফুটবলজীবন এবং দেশের ফুটবলের উন্নতিতে অবদান রেখেছেন। ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নেওয়া এই দুই তারকার উপস্থিতি আসন্ন ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের মর্যাদা আরও বাড়াবে।

ভারতীয় ফুটবলের দুই আইকনিক তারকা যখন আনুষ্ঠানিক ভাবে ম্যাচ বল মাঠে নিয়ে যাবেন, তখন ব্রাজিল ও উরুগুয়েকে কলকাতার স্বাগত জানানোর পর্বটি এক বিশেষ অধ্যায় হয়ে উঠবে। বাংলা জুড়ে তৈরি হওয়া উৎসবের আবহের সঙ্গে মিশে যাবে এই ঐতিহাসিক ফুটবল আয়োজন।