কোহলি-গম্ভীর সম্পর্কে দূরত্ব? জল্পনায় জল ঢাললেন ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক

Virat Kohli-Gautam Gambhir Photo-SNS

ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট কোহলি এবং হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা নতুন নয়। ইংল্যান্ড সফরেও অনুশীলনের সময় দু’জনকে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায়নি। সেই থেকেই ফের জোরদার হয়েছে দূরত্বের গুঞ্জন। তবে ভারতের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, এই সমস্ত জল্পনার একেবারেই সঠিক নয়।

বার্মিংহ্যাম এবং কার্ডিফে অনুশীলনের সময় কোহলিকে প্রায়ই কোটাকের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল। অন্যদিকে, গম্ভীরের সঙ্গে তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। এমনকি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে কোনও মধ্যস্থতাকারী প্রয়োজন হতে পারে বলেও গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। কিন্তু সেই জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন কোটাক।

সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি কোহলি ও গম্ভীরের মধ্যে ‘সেতুবন্ধনের’ কাজ করছেন? প্রশ্ন শুনেই হেসে ফেলেন কোটাক। বলেন, ‘বিরাট কোহলি এবং গৌতম গম্ভীর দিনে অন্তত ১০ বার একে অপরের সঙ্গে কথা বলে। কোচের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বিরাটের কোনও ‘সেতু’র প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না’।


এর পর আরও কড়া ভাষায় এই গুঞ্জনকে খারিজ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি যোগাযোগের কথা বললেন। এসব কথা কোথা থেকে শুনছেন আমি জানি না। এগুলো শুধুই গুজব’।

কোহলির সঙ্গে তাঁর নিজের কাজের ধরন নিয়েও মুখ খোলেন ভারতের ব্যাটিং কোচ। তাঁর মতে, কোহলির মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারকে অযাচিত পরামর্শ দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” ব্যাটিং কোচ হিসেবে আমার মনে হয়, বিরাট যখন ব্যাট করতে নামে, তখন ও যদি নিজে কোনো পরামর্শ না চায় বা এমন কোনো বড় সমস্যা না থাকে যেটা অবশ্যই জানানো দরকার, তা হলে ওকে বিরক্ত করার কোনো মানে হয় না। না চাইতেই পরামর্শ দেওয়া উচিত নয়’।

তবে কোহলি যখন নির্দিষ্ট কোনও বিষয়ে জানতে চান, তখন অবশ্য নিজের মতামত দেন কোটাক। তাঁর কথায়, ‘আমাদের আলোচনা বেশির ভাগ সময়ই ওর ফুটওয়ার্ক নিয়ে হয়। কার্ডিফে অনুশীলন শুরুর আগে ও আমাকে কয়েকটি বিষয় বলেছিল। নেট সেশন শেষ হওয়ার পরেও আমরা সেগুলো নিয়েই কথা বলছিলাম’।

কোটাকের এই মন্তব্যের পর আপাতত কোহলি-গম্ভীর সম্পর্ক নিয়ে চলতে থাকা জল্পনায় কিছুটা হলেও ইতি পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। অর্থাৎ, ভারতীয় দলের কোচিং স্টাফের দাবি, দলের অন্দরে কোনো যোগাযোগের সমস্যা নেই। বরং সিনিয়র ক্রিকেটার এবং কোচিং স্টাফের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা চলতেই থাকে। এই নিয়ে কোনো গুঞ্জনই সঠিক নয়।