বিজয় হাজারে ট্রফিতে কোহলি ছন্দে রান এলো না রোহিতের ব্যাটে

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

ভারতীয় ক্রিকেটের ব্যাটের রাজা বলতেই যে নামটা সবার মুখে মুখে ঘোরে, তিনি হলেন বিরাট কোহলি। বিরাটের ব্যাট থেকে কখন যে বিরাট অঙ্কের রান আসবে, তা কেউই আগাম ভাবতে পারেন না। তবে ক্রিকেট ভক্তদের কোহলির প্রতি আলাদা একটা ভালোবাসা রয়েছে। তাঁরা বিশ্বাস করেন, বিরাটের ব্যাট ঝলসে উঠলে তাঁর দলের স্কোরবোর্ড উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। সত্যিই তাই। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরে একদিনের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের হয়ে খেলতে নেমে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, কোহলির ব্যাট কথা বলে। পরপর দু’টি ম্যাচে শতরান করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। পাঁচটি একদিনের ম্যাচ শেষ হওয়ার পরে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে নেমেছেন।

তিনি দিল্লির হয়ে প্রথম ম্যাচেই দুরন্ত শতরান উপহার দিয়েছেন। আর কোহলির সতীর্থ রোহিত শর্মা জয়পুরের মাঠে শতরান করার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন। তখন থেকেই এই তারকা ব্যাটসম্যানের প্রতি ক্রিকেট ভক্তদের আলাদা উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। এদিনও বেঙ্গালুরুর মাঠে কোহলিকে ঘিরে সেই উন্মাদনার রেশ কমেনি।
শুক্রবার দিল্লির হয়ে কোহলি আবার শতরানের দিকে দৌড়চ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ৭৭ রানে আউট হয়ে গেলেন। তবে কোহলি এখনও পুরো ছন্দে রয়েছেন, তা স্পষ্টড বোঝা গেল। তিনি গুজরাতের বিরুদ্ধে ৬১ বলে ৭৭ রান করেন। তাঁর পাশে ঋষভ পন্থ ৭০ রান করেছেন। দিল্লির ২৫৪ রানের জবাবে গুজরাত খেলতে নেমে লড়াকু ভূমিকা নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ধরে রাখতে পারেনি। তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৪৭ রানে। এস চৌহান ৪৯ রান করে আউট হন। দিল্লি শেষ পর্যন্ত ৭ রানে জয় তুলে নেয়।

অন্যদিকে, মুম্বই ও ঝাড়খণ্ডের মধ্যে খেলায় রোহিত শর্মা ওপেনার হিসেবে খেলতে নেমে প্রথম বলেই আউট হয়ে গেলেন। অর্থাৎ রোহিতের ব্যাটে কোনও রান এল না। দলের অন্যতম খেলোয়াড় হার্দিক তামরে অল্পের জন্য শতরান থেকে বঞ্চিত হলেন। তিনি ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এবাদে মুশির খান ও সরফরাজ খান দু’জনেই ৫৫ রান করেন। মুম্বইয়ের ইনিংস শেষ হয় ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৩১ রান। তার জবাবে উত্তরাখণ্ড খেলতে নেমে ৯ উইকেটে ২৮০ রান করে ৫১ রানে হার স্বীকার করে। উত্তরাখণ্ডের যুবরাজ চৌধুরী ৪ রানের জন্য শতরান থেকে বঞ্চিত হন। জগদীশা সুচিথ ৫১ রানে আউট হয়ে যান। তবে উত্তরাখণ্ড লড়াইয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দেয়।