সুপার এইট শুরুর আগে আচমকাই বিতর্কের মুখে আইসিসি। মূলত, সুপার এইটের ফরম্যাট নিয়ে বিতর্ক তৈরী হয়েছে। নক-আউটের আটটি দলের নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই আইসিসির ‘প্রি-সিডিং’ পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এই পদ্ধতির ফলে, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া চারটি দল সুপার এইটের একই গ্রুপে পড়েছে। অন্যদিকে, চারটি রানার্স-আপ দলকে রাখা হয়েছে আলাদা গ্রুপে। টূর্নামেন্ট শুরুর আগেই এই বিষয়টি স্থির করে রেখেছিল আইসিসি। এজন্য, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলির নির্দিষ্ট স্লটও রেখেছিল তারা। আইসিসি’র এই সিদ্ধান্তের ফলে
ফলে গ্রুপ পর্বের শীর্ষে থাকা দলগুলোর মধ্যে অন্তত দুটি দল সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নেবে। সাধারণত, যেকোনও টুর্নামেন্টে গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলিকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়। এদিকে আইসিসির এই সিধান্তের ফলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোর গুরুত্বও কমে গিয়েছিল। পাশাপাশি, এরফলে বিশেষ সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে শ্রীলঙ্কাকেও। কারণ, ঘরের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার সুযোগ পাবে না তারা। এখনও অবধি নিজেদের দেশে সব ম্যাচ খেললেও তারা যদি সেমিফাইনালে ওঠে তাহলে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী তাদের ভারতে এসে খেলতে হবে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে একপ্রকার সাফাইয়ের সুর শোনা গেছে আইসিসি’র মুখে।
তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারত ও শ্রীলঙ্কা দুই দেশে যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কারণে আগে থেকে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বিশেষ জরুরি ছিল। আর সেজন্যই প্রি-সিডিং ব্যবস্থা করা হয়েছিল, বলে আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।