আমাকে প্রয়োজনই ছিল না: লিটন দাস

২০২৩ সালের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে সংক্ষিপ্ত অধ্যায়ের স্মৃতি এখনও তাড়া করে বেড়ায় বাংলাদেশের অন্যতম ক্রিকেটার লিটন দাসকে। দীর্ঘ তিন বছর পর সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। তিক্ত সেই অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে নিজের হতাশাও গোপন করতে পারলেন না বাংলাদেশি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তাঁর অভিযোগ, কেকেআর থেকে তিনি প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একটি পডকাস্টে লিটন জানান, আইপিএলে সুযোগ পাওয়াটাই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কাছে কঠিন। সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানের পর তিনিও সেই সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু, ওই একই সময়ে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থাকায় বিসিবির কাছে এনওসি চেয়েও পাননি তিনি। ফলে, আইপিএল ছেড়ে মাঝপথেই দেশে ফিরে আসতে হয় তাঁকে।

তবে, কলকাতা দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে নিজেকে দলের বোঝা বলে মনে হতো তাঁর। বিষয়টি নিয়ে লিটন বলেন, কলকাতায় গিয়ে তাঁর মনে হয়েছিল কেকেআরের তাঁকে একেবারেই প্রয়োজনই নেই। এমনকি দল থেকে তিনি যে মানসিক সমর্থনও পাননি, সেকথা জানাতেও ভোলেননি তিনি। লিটনের কথায়, অভিষেক ম্যাচে খেলানোর বিষয়েও তাঁকে আগে থেকে কোনোরকম ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, হঠাৎ রাত রাত এগারোটা নাগাদ আচমকা জানতে পারেন পরের ম্যাচটা খেলবেন।


এই প্রসঙ্গে বলা যায়, ৫০ লক্ষ টাকার বেস প্রাইসে কেকেআরে যোগ দিয়েছিলেন লিটন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে অভিষেক ম্যাচে ওপেন করতে নেমে মাত্র ৪ রান করেন তিনি। পরবর্তীকালে, উইকেটকিপিং করতে গিয়েও দু’টি স্টাম্পিংয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয় তাঁর। এরপর আর নাইট দলের প্রথম একাদশে সুযোগ হয়নি তাঁর। সেই মরসুমে কেকেআরও চূড়ান্ত হতাশাজনক পারফরম্যান্স করে। সপ্তম স্থানে শেষ করেছিল তারা। পরের বছর গৌতম গম্ভীর মেন্টর হয়ে ফিরলে তৃতীয়বারের জন্য আইপিএল খেতাব জিতে নেয় শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন কলকাতা। যদিও, তার আগেই দল থেকে বাদ পড়েন লিটন। পরবর্তী নিলামেও অবিক্রীত থেকে যান তিনি।