বাতিলের মুখে ফাইনালিসিমা, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কি আয়োজিত হবে ফাইনালিসিমা? জল্পনা কিন্তু ক্রমেই বাড়ছে। আগামী ২৭ মার্চ দোহার লুসেইল স্টেডিয়ামে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মধ্যে এই ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টুর্নামেন্ট স্থগিত ঘোষণা করেছে কাতার প্রশাসন। কাতার প্রশাসনের এই নির্দেশের পর ম্যাচটি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

এই প্রসঙ্গে বলা যায়, শেষবার ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল কাতার। এশিয়ার দেশটি দুরন্ত আয়োজনে রীতিমতো ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল। সেজন্য, এ বারের ফাইনালিসিমা আয়োজনের দায়িত্বও কাতারকে দিয়েছিল ফিফা। কিন্তু, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই ম্যাচ নিয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারেননি ম্যাচের মূল আয়োজক সংস্থা উয়েফা এবং কনমেবল। এই দুই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফুটবলার এবং ফুটবলপ্রেমীদের নিরাপত্তাই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে, ম্যাচটি স্থগিত করার কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি তারা। বা ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়টিও জানানো হয়নি।

জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে উয়েফা এবং কনমেবল কর্তারা। তবে শুধু একা কাতার নয়, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব সহ পশ্চিম এশিয়ার অন্য দেশেও নিরাপত্তা সতর্কতা জারি হয়েছে। যার প্রভাব পড়ছে ফুটবলের সূচিতে। তাই হয়তো, এই সময় পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে ম্যাচ আয়োজনের ঝুঁকি না-ও নিতে পারেন ফুটবল কর্তারা। আসলে, বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের নিয়ে কোনওভাবেই ঝুঁকি নিতে চাইছে না দুই দেশের ফেডারেশন।


এদিকে, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাহরিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সেখানকার সমস্ত ম্যাচ স্থগিত করেছে। পাশাপাশি, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিট, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর কোয়ার্টার ফাইনাল এবং এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের ম্যাচগুলো পিছিয়ে দিয়েছে। তাই বলা যায়, ফাইনালিসিমার ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর।