বিশ্বকাপ শেষ হতেই টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করল ফিফা। আর সেই দল প্রকাশের পরই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের মতো তারকা ফুটবলারের জায়গাই হয়নি এই দলে। বরং নজর কেড়েছেন বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেওয়া কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা। সমর্থকদের ভোটে তৈরি এই ‘ড্রিম টিম’-এ তাঁর অন্তর্ভুক্তিই সবচেয়ে বড় চমক।
৪০ বছর বয়সি ভোজিনহা গোটা বিশ্বকাপেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিরুদ্ধে ক্লিন শিট রাখার পাশাপাশি আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ম্যাচকে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনিই। গোল্ডেন গ্লাভস জয়ী স্পেনের উনাই সিমনের বদলে সমর্থকদের ভোটে ভোজিনহাই সেরা গোলরক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হন।
রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের পেদ্রো পোরো ও মার্ক কুকুরেয়া, আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং ফ্রান্সের দায়ো উপামেকানো। মাঝমাঠে রয়েছেন বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলারের পুরস্কারজয়ী স্পেনের রদ্রি, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম এবং ফ্রান্সের মাইকেল ওলিজে।
আক্রমণভাগে জায়গা করে নিয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। এমবাপে গোল্ডেন বুট জিতেছেন, হালান্ড পাঁচ ম্যাচে সাত গোল করে নরওয়েকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছিলেন। অন্যদিকে ৩৯ বছর বয়সেও মেসি আট গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করে এই বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রেখে যান।
তবে সবচেয়ে বড় আলোচনা হ্যারি কেনকে ঘিরেই। ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান অর্জন করে এবং টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও সমর্থকদের ভোটে সেরা একাদশে জায়গা পাননি তিনি। একইভাবে স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন ও তরুণ ডিফেন্ডার পাও কুবার্সির বাদ পড়াও অনেককে বিস্মিত করেছে।
ফিফার বিশ্বকাপ ২০২৬ ড্রিম টিম (সমর্থকদের ভোটে):
গোলরক্ষক: ভোজিনহা (কেপ ভার্দে)
রক্ষণ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)
মাঝমাঠ: রদ্রি (স্পেন), জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স)
আক্রমণ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স)।