বিরাট, শ্রেয়সের ব্যাটে ঝড় উঠলেও কার্ডিফে আর্চার, মেহমুদের দাপটে চাপে ভারত

Virat Kohli Photo-SNS

প্রথম ম্যাচে জিতলেও দ্বিতীয় ওয়ান ডে-তেই ভারতীয় ব্যাটারদের চাপে ফেলে দিল ইংল্যান্ড। শুধু বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ার এ দিন জোফ্রা আর্চারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। কিন্তু বাকি ব্যাটাররা কেউই জ্বলে উঠতে পারেননি। রোহিত শর্মার মন্থর ব্যাটিংও ভারতীয় দলের পক্ষে বেশ চিন্তার বিষয়।

বিরাট আউট হওয়ার পর শ্রেয়স একদিক ধরে রাখলেও অন্য দিক থেকে একের পর এক উইকেট পড়তে দেখেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২৩৩ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত। শ্রেয়স পাঁচটি চার ও দুটি ছয় হাঁকিয়ে ৬৬ রান করে ফিরে যান।

প্রথম ম্যাচে রান না পেলেও দ্বিতীয় ওয়ান ডে-তে হাফ সেঞ্চুরি করেন বিরাট কোহলি। আর তাতেই শুরুর ধাক্কা সামলে নেয় ভারত। বৃহস্পতিবার কার্ডিফে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। কিন্তু ১১১ রানেই তিন উইকেট পড়ে যায় ভারতের। সেই জায়গা থেকে দলকে টেনে তোলেন বিরাট এবং ৬৬ বলে ৬৫ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। কিন্তু তিনি ফিরে যেতেই ফের ইনিংসে ধস নামে।


শুধু বিরাট নন, এ দিন দলকে ভরসা জোগান শ্রেয়স আইয়ারও। তিনিও এ দিন হাফ সেঞ্চুরি করে দলের স্কোরকে ভাল জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এই দু’জন ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যানই দলকে তেমন ভাবে সাহায্য করতে পারেননি।

এ দিন ৪৪ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপ গড়েন রোহিত শর্মা (২৬) ও শুভমন গিল (৩১)। গিল ফিরে যাওয়ার পর রোহিত ও বিরাট দলের সঙ্গে আরো ৬০ রান যোগ করেন। রোহিত ৪৭ বলে ২৬ রান করে স্টাম্পের পিছনে জশ বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যাওয়ার পরে ক্রিজে আসেন কে এল রাহুলের জায়গায় দলে আসা ইশান কিষাণ। কিন্তু তিনি মাত্র এক রান করে বোলার স্যাম কারানের হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান।

এই জায়গা থেকেই দলের হাল ধরেন বিরাট ও শ্রেয়স। আটটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৯৮-এর স্ট্রাইক রেটে ৬৫ রানের ইনিংস খেলার পর ৩২তম ওভারে জোফ্রা আর্চারের শর্ট বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে যান বিরাট। কিন্তু তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে বল ছিটকে চলে যায় ডিপ থার্ড ম্যানে থাকা আদিল রশিদের হাতে। যে সুযোগ হাতছাড়া করেননি রশিদ।

বিরাট যখন ফিরে যান, তখন ভারতের স্কোর ১৭৮-৪। কিন্তু তিনি ফিরে যাওয়ার পরই মাত্র ১৫ ভারতের ইনিংসে ধস নামান মিডিয়াম পেসার সাকিব মেহমুদ ও আর্চার। তিন ওভারে মধ্যে তিন ভারতীয় ব্যাটার ওয়াশিংটন সুন্দর (২), অক্ষর প্যাটেল (১) ও শিবম দুবেকে (০) আউট হয়ে যাওয়ায় ফের চাপে পড়ে যায় ভারত। এ দিন দশ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন আর্চার।

১৭৮-৪ থেকে ভারত ১৯৩-৭-এ চলে আসে। কিন্তু তখনও ভারতের ভরসা ছিলেল শ্রেয়স। টেল এন্ডারদের নিয়ে তিনি লড়াই শুরু করেন এবং ৪৩ তম ওভারে তিনটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকান জশপ্রীত বুমরা। এই ওভারে ১৮ রান করে দলকে ২৩২-৮-এ পৌঁছে দেন তিনি। কিন্তু পরের ওভারে শ্রেয়সকে ফিরিয়ে দেন গাস অ্যাটকিনসন।