তাঁর সাহায্য ছাড়া আমার গোল পাওয়া সম্ভব নয়: ডেভিড লালনসাঙ্গা

PIC- X

বছর দুয়েক আগে আলটিন আসিরের বিরুদ্ধে গোল করেছিলেন। বুধবার কুয়েতের আল আরাবির বিরুদ্ধেও গোল পেলেন। ইস্টবেঙ্গল এএফসি আন্তর্জাতিক আসরে নামলেই তিনি প্রতিপক্ষের গোলের ঠিকানা পেয়ে যান।

বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচে ফের ঝলসে উঠলেন মিজোরামের বছর চব্বিশের এই তারকা। সেদিন অবশ্য শুধু গোল করা নয়, খেলার একেবারে শেষ লগ্নে রোহিত দানুকে গোল করতে সাহায্যও করেন তিনি।

বছর দুয়েক আগেও লাল-হলুদ জার্সিতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে গোল করলেও সেবার দলকে জেতাতে পারেননি। ম্যাচটা ২-৩ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে, বুধবার ডেভিডের গোলেই লাল-হলুদের জয়ের ভিত মজবুত হয়।


সেই প্রসঙ্গে ডেভিড জানালেন, এএফসি হোক বা আইএসএল, সুযোগ পেলেই দলের হয়ে গোল করতে চান। মিজো স্ট্রাইকারের স্পষ্ট বক্তব্য, ‘দলের জয়ে নিজের অবদান রাখতে পেরে খুশি আমি’।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বলতে গিয়ে ডেভিড বলেন, যখনই খেলার সুযোগ পাই, তখনই নিজের সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। একই সঙ্গে, ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর দলের রণকৌশল নিয়েও বলেন তিনি।

জানিয়েছেন, সেই সময় রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি ব্যবধান বাড়ানোর লক্ষ্যে পাল্টা আক্রমণে ওঠা দরকার ছিল। সেই লক্ষ্যেই আক্রমণ চালাতে থাকে বিষ্ণু, রোহিত দানু, ক্রিস ইকোনোমিডিসরা। তবে, এএফসির মঞ্চে ফের গোল পাওয়ায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন এই মিজো তরুণ। পাশাপাশি, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে করা এই গোলের জন্য ঈশ্বরকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডেভিড।

এই প্রসঙ্গে বলা যায়, এর আগেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করার নজির রয়েছে তাঁর। এমনকী শেষবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রিলিমিনারি পর্বের ম্যাচেও প্রথম গোলটি করেছিলেন। এবারও এএফসির মঞ্চে সেই ধারাই বজায় রাখলেন। আন্তর্জাতিক ম্যাচে ফের গোল করার রহস্য জানতে চাইলে ডেভিডের অবশ্য সরল উত্তর, ‘আমি জানি না। সব ম্যাচেই গোল করার চেষ্টা করি। প্রতিবারই ঈশ্বর সাহায্য করেন এবং গোল উপহার দেন’