পিচ নিয়ে ক্ষুব্ধ কোচ গম্ভীর

নিজের দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতেই বিতর্কের কেন্দ্রে পিচ। ওয়াংখেড়েতে আমেরিকা-ম্যাচের পিচ নিয়ে ক্ষুব্ধ ভারতীয় দল। বোর্ডকে ক্ষোভ জানিয়েছেন গৌতম গম্ভীরেরা।

তাও অবাক হতে হয় ভারতের ম্যাচেই পিচ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত-আমেরিকা ম্যাচে যে পিচ দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্ষুব্ধ ভারতীয় দল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে তা জানিয়েছেন গৌতম গম্ভীরেরা। ওয়াংখেড়ের বোলিং সহায়ক পিচ পছন্দ হয়নি গম্ভীরদের। মুম্বইয়ের মাঠ সাধারণত ব্যাটসম্যানদের কাছে স্বর্গ। কিন্তু সে দিনের পিচে বোলাররা অনেক বেশি সাহায্য পাচ্ছিলেন। বল অনেক মন্থর ছিল। ফলে দু’দলের ব্যাটসম্যানরা সমস্যায় পড়েন। সূর্যকুমার যাদব ৮৪ রানের ইনিংস না খেললে ভারত সেই ম্যাচ হেরে যেতে পারত।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে নিজেদের অসন্তোষের কথা জানিয়েছে ভারতীয় দল। তারা বলেছে, বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচ এমন পিচে দেওয়া হোক যেখানে অনেক রান হয়। কারণ, ভারতের প্রধান শক্তি ব্যাটিং। বিশ্বকাপের আগে নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ে চারটি ম্যাচেই তা দেখা গিয়েছে। যে দুই ম্যাচে ভারত প্রথমে ব্যাট করেছে, তারা ২৩৮ ও ২৭১ রান করেছে। পরে ব্যাট করে ২০৯ ও ১৫৪ রানের লক্ষ্য হাসতে হাসতে তাড়া করে জিতেছে। তেমনই পিচ চাইছেন গম্ভীররা।


২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারতের ছোট ফরম্যাটে শুরু হয়েছে গম্ভীর-সূর্যকুমার যাদবর জুটির রাজ। এই সময়ে ভারত চার বার ২৫০ রানের বেশি করেছে। তার মধ্যে তিনটি ক্ষেত্রে ২৭০ রানের বেশি করেছে দল। গম্ভীর বলেছেন, তাঁর দলের প্রধান শক্তি ব্যাটিং। ফলে ব্যাটিং সহায়ক উইকেট চাইছেন তিনি।
২০২৩ সালের এক দিনের বিশ্বকাপে ফাইনালের আগে টানা ১০ ম্যাচ জিতেছিল ভারত। কিন্তু ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে যে পিচে তাদের খেলতে হয়েছিল, তা মন্থর ছিল। ফলে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সমস্যায় পড়ে ভারত। তার খেসারত দিতে হয়। ফাইনালে হারতে হয়। তার আগে সেমিফাইনালে এই ওয়াংখেড়েতেই শেষ মুহূর্তে পিচ বদলে দেওয়া হয়েছিল। বার বার যাতে এই ধরনের ঘটনা না হয় সেই অনুরোধ করেছেন গম্ভীররা। ঘরের মাঠের সুবিধা পেলে ম্যাচ জেতা সহজ হবে। তাহলে ভারতীয় ভাল জায়গায় পৌঁছে যাবে।