রাজ্য সাঁতার সংস্থায় পট পরিবর্তন

প্রতীকী চিত্র

দীর্ঘ তিরিশ বছরের বেশি সময় রাজ্য সাঁতার সংস্থায় শীর্ষকর্তা হিসেবে রামানুজ মুখার্জিকে বিদায় নিতে হল। সংস্থার নতুন সভাপতি হলেন বিধায়ক দেবাশিস কুমার। রবিবার সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্তে সর্বসম্মতিক্রমে সিলমোহর পড়ে। অবশ্য এই খবর আগাম প্রকাশিত হয় দৈনিক স্টেটসম্যান পত্রিকায়।

এদিন সভায় বিদায়ী সভাপতি রামানুজ মুখার্জি হাজির ছিলেন না। রাজ্য সাঁতার সংস্থার অনুমোদিত ১২টি জেলার ২৪ জন প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে এই পট পরিবর্তনকে মেনে নেন। তবে বিদায়ী সভাপতির বেশ কয়েকজন অনুগত দল বদল করে নতুন সভাপতি দেবাশিস কুমারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। নতুন সচিব হয়েছেন কঙ্কন পানিগ্রাহী। কোষাধ্যক্ষ হলেন স্বপন আদক। সহসভাপতি হয়েছেন অতনু ঘোষ, রমেন চন্দ্র বিশ্বাস, দেবেন্দ্রনাথ দাস ও সুগত হালদার। সহসচিব পদে এলেন শংকর ব্যানার্জি, স্নোহাশিস বিশ্বাস, সুব্রত চক্রবর্তী ও রিতোজিৎ ঘোষ।

নতুন সভাপতি দেবাশিস কুমার বলেন, বাংলার সাঁতারকে প্রাধান্য দিয়ে আগামী দিনে বিশেষ কর্মকাণ্ড গ্রহণ করা হবে। জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সাঁতারুদের নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে। সংস্থার একটা নিজস্ব সুইমিং পুল থাকবে। তার জন্যে দেশবন্ধু পার্কের সুইমিং পুলকে আধুনিকীকরন করে প্রশিক্ষণের অফিস ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। মাত্র ১২টি জেলাকে নিয়ে একটি সংস্থা চলতে পারে না। তাই আরও বেশ কয়েকটি জেলাকে অনুমোদন দিয়ে সাঁতারের উন্নতি করতে চাই। সঠিক পরিকাঠামো ও পরিকল্পনা করতে পারলে সাঁতারের প্রতি সবার আগ্রহ বাড়বে। সরকার নিশ্চয়ই সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে বলে বিশ্বাস।


নতুন সচিব কঙ্কন পানিগ্রাহী বলেন, নতুন চিন্তাধারার মধ্যে দিয়ে বাংলার সাঁতারকে উজ্জীবিত করতে চেষ্টা করা হবে। এদিনের সভায় পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল অলিম্পিক সংস্থার প্রাক্তন সভাপতি অজিত ব্যানার্জি। তিনি বলেন, রাজ্য সাঁতার সংস্থায় একটা পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তার কথা জেলার কর্মকর্তাদের ভাবনায় ছিল। তার বাস্তবরূপ পেল। সুস্থ ও সুষ্ঠভাবে সভা পরিচালিত হয়েছে। তবে ঠিক, কোনও সংস্থায় দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষপদ ধরে রাখাটা ঠিক নয়। একটা সময়ের পরে নিজের থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত।