ফুটবল মাঠে শোকের ছায়া, প্রয়াত মিগেলকে স্মরণ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ক্লাবগুলির, বন্ধ থিম মিউজিক

Photo: Representational Image

ফুটবল মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে শোকের আবহ। স্পেনের দ্বিতীয় ডিভিশনের ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষের পর মারা যায় টেনেরিফের স্ট্রাইকার যিশুস দে মিগেল (Jesus de Miguel)। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩০ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ফুটবল দুনিয়া। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচগুলির আগে ইউরোপের বিভিন্ন মাঠে নীরবতা পালন করে শ্রদ্ধা জানানো হল প্রয়াত ফুটবলারকে। স্পেনের তিন ক্লাব—বার্সেলোনা, আতলেটিকো মাদ্রিদ এবং ভিয়ারিয়াল—ম্যাচ শুরুর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চেনা সুরও বাজায়নি।

সোমবার স্পেনের দ্বিতীয় ডিভিশনে এফসি আন্দোরার বিরুদ্ধে খেলছিল টেনেরিফ। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে বলের দখল নিতে গিয়ে আন্দোরার গোলরক্ষক যিশুস ওনোর সঙ্গে সংঘর্ষ হয় দে মিগেলের (Jesus de Miguel)। গোলরক্ষকের হাঁটু তাঁর বুকে আঘাত করে বলে জানা গিয়েছে। মাঠেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন টেনেরিফের স্ট্রাইকার। চিকিৎসকেরা দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রথমে তাঁর অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল বলে জানিয়েছিল ক্লাব। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

আরও পড়ুন: উইকেট, পরিবেশের সাহায্য পাচ্ছে পেসাররা- চার উইকেট তুলে বললেন অর্শদীপ, জানালেন বিশেষ সেলিব্রেশনের কারণও


এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে ইউরোপীয় ফুটবলে। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচগুলির আগে বিভিন্ন মাঠে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। মাঠের বড় পর্দায় দেখানো হয় দে মিগেলের ছবি। বার্সেলোনা, আতলেটিকো এবং ভিয়ারিয়াল নিজেদের ঘরের মাঠে ম্যাচের আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ঐতিহ্যবাহী থিম মিউজিকও বাজায়নি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডেও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড-রোমা ম্যাচের আগে নীরবতা পালন করা হয়।

শুধু ক্লাব নয়, শোক প্রকাশ করেছেন ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। বুধবার স্লাভিয়া প্রাগের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠকে দে মিগেলকে (Jesus de Miguel) স্মরণ করেন আর্সেনালের স্প্যানিশ কোচ মিকেল আর্তেতা এবং মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। আর্তেতা বলেন, ‘এক জন সহকর্মীকে এ ভাবে জীবন হারাতে দেখা—এমন ঘটনার জন্য আমার কাছে কোনও ভাষা নেই’।

আরও পড়ুন: আল সিবের কাছে হার ইস্টবেঙ্গলের, ‘৩-৪ গোলে জেতা উচিত ছিল’, বললেন বিধ্বস্ত হাবাস

বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করার পর রাফিনিয়াও ফুটবল নিয়ে কথা বলতে চাননি। তিনি বলেন, ‘আজ ফুটবল নিয়ে কথা বলতে চাই না। যিশুসের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে চাই। ঈশ্বর ওঁকে শান্তিতে রাখুন। ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁর পরিবারকে শক্তি জোগানোর বার্তা জানাচ্ছি’।

টেনেরিফের হয়ে ২০২৫ সালে যোগ দিয়েছিলেন মিগেল (Jesus de Miguel)। তিন বছরের চুক্তিতে সই করেছিলেন তিনি। দলকে দ্বিতীয় ডিভিশনে তুলে আনার পিছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। আচমকা এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ক্লাব এবং সমর্থকদের মধ্যে।

দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/eb8_EaSGfOk?si=0NLIbwUKBOJbOJEU” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>