শিল্ড ফাইনালে ফের কলকাতা ডার্বি। এই নিয়ে মরসুমের চতুর্থ ডার্বি হতে চলেছে বৃহস্পিতবার। ডুরান্ড কাপে জোড়া ডার্বির পর কলকাতা লিগে একবার ডার্বি হয়। এ বার আইএফএ শিল্ডের ফাইনালেও হতে চলেছে বাঙালির প্রিয় বড় ম্যাচ। কিন্তু এই ডার্বিতে কি সেরা দল নামাতে পারবে দুই প্রধান?
মঙ্গলবারের উরুগুয়ে ম্যাচের পরই জাতীয় দলে দুই প্রধানের যে ফুটবলাররা রয়েছেন, তাঁরা নিজেদের ক্লাবে যোগ দেবেন ঠিকই। কিন্তু মোহনবাগানের যে পাঁচ খেলোয়াড় এবং ইস্টবেঙ্গলের যে চারজন ফুটবলার জাতীয় দলে রয়েছেন, তাঁরা মঙ্গলবার ভারতের হয়ে ম্যাচ খেলে বৃহস্পতিবারই কি মাঠে নামতে পারবেন? ভারতের ম্যাচের মাত্র দু’দিনের মধ্যেই কি তাঁদের ক্লাবের হয়ে নামিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি নেবেন দুই প্রধানের কোচ? এটা একটা বিরাট প্রশ্ন।
দুই প্রধানের আনোয়ার আলি, অভিষেক সিং, আপুইয়া, মনবীর সিং, এডমন্ড লালরিন্ডিকা, সহাল আব্দুল সামাদ, জয় গুপ্তা, মেহতাব সিং, অনিরুদ্ধে থাপা, জিকসন সিং জাতীয় দলে রয়েছেন। এঁদের নিয়েই এখন জল্পনা শুরু হয়েছে, আদৌও তাঁরা বৃহস্পতিবারের ম্যাচে নামতে পারবেন কি না। তা কোচেরাই বলতে পারবেন।
ডুরান্ড ফাইনালের পর এ বার শিল্ড ফাইনালেও হতে চলেছে ‘বড় ম্যাচ’। মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল শিল্ড ফাইনালের দিনক্ষণ এ দিনই প্রকাশ্যে আনল আইএফএ। সেই সঙ্গে টিকিট নিয়েও বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ফিফার যে আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি চলছে সারা দুনিয়া জুড়ে। তার মধ্যেই পুরো শিল্ড আয়োজন করা হয়েছে। ফলে দুই দলই অনেক তারকা ফুটবলারকে পায়নি।
সেমিফাইনালে মোহনবাগান টাইব্রেকারে হারিয়েছে পাঞ্জাব এফসি’কে। অন্যদিকে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ৭-২-এ হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল। আইএফএ সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, শিল্ড ফাইনাল হবে বৃহস্পতিবার। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সন্ধ্যা ৬.১৫ থেকে এই ম্যাচ হবে। ডিস্ট্রিক্ট বাই জোম্যাটো অ্যাপে টিকিট পাওয়া যাবে। তবে এখনও দাম জানানো হয়নি।
প্রথম থেকেই এবছরের আইএফএ শিল্ড নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠেছে। মাত্র ৬টি দল নিয়ে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। কিন্তু সূচি নিয়ে জটিলতা থেকেই গিয়েছিল। শিল্ড শেষ হলেই ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে যাবে আইএসএল। মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ১২ অক্টোবর।
অর্থাৎ, শিল্ড ফাইনালের পর হাতে মাত্র তিনদিন সময়। তাও তা অ্যাওয়ে ম্যাচ, গুয়াহাটিতে। ইস্টবেঙ্গল এরপর নামবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এ। ১৩ অক্টোবর ঘরের মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ আল-শোর্তা।