জুনিয়র জাতীয় ডা. বি সি রায় ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছল বাংলা। সোমবার বেঙ্গালুরুতে শেষ চারের খেলায় বাংলা মুখোমুখি হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে। দু’দলের কাছেই এই খেলাটি মরণ-বাঁচন লড়াই ছিল। বাংলার ছেলেরা খেলার শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলতে থাকেন। বাংলার আক্রমণকে মোকাবিলা করতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা হিমশিম খেতে থাকেন। খেলার ১০ মিনিটের মাথায় বাংলা সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে। তবে ২৯ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে একক কৃতিত্বে আজিজুর মণ্ডল প্রতিপক্ষ দলের রক্ষণভাগের দুই খেলোয়াড়কে পিছনে ফেলে দারুণ গোল করে বাংলাকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধে খেলার ফলাফলে কোনও আর কোনও পরিবর্তন হয়নি। তবে দ্বিতীয় পর্বে উত্তরপ্রদেশের ফুটবলাররা খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনার জন্য পাল্টা আক্রমণ শানাতে থাকেন। কিন্তু বাংলার রক্ষণভাগকে কোনওভাবেই তাঁরা ভাঙতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত আজিজুলের গোলেই বাংলা ১-০ গোলে উত্তরপ্রদেশকে হারিয়ে ফাইনালে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে গেল। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বাংলা ফাইনাল খেলবে।
লিগের এক ম্যাচে ৬ লাল কার্ড!
এদিকে, মঙ্গলবার কলকাতা লিগে বারাকপুর স্টেডিয়ামে রেলওয়ে এফসি ও খিদিরপুর ক্লাব মুখোমুখি হয়েছিল। এই খেলা দেখে কেউই বলবেন না কলকাতা ফুটবল লিগের খেলা চলছে। পাড়ার ফুটবল থেকেও এই খেলা আরও খারাপ। একটা সময় খিদিরপুর ক্লাবে যে ঐতিহ্য ছিল, তার দেখা মিলল না। এমনকি মাঠে মাত্র ১৪ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে খিদিরপুর উপস্থিত হয়েছিল। ক্লাব কর্মকর্তা জানান, তাঁদের খেলার ইচ্ছে ছিল না। সমস্ত ফুটবলারদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই হাতে গোনা ফুটবলারদের নিয়ে মাঠে নামতে হয়েছিল। কিন্তু ওই ম্যাচেই খিদিরপুরের চারজন ও রেলওয়ে এফসি-র দু’জন খেলোয়াড় লালকার্ড দেখেন। খিদিরপুর ক্লাবকে খেলতে হয় সাতজনকে নিয়ে। প্রতিপক্ষ দলে ন’জন খেলোয়াড়কে দেখা গিয়েছে। দ্বিতীয় পর্বের সংযুক্ত সময়ে ৮ মিনিট দেওয়া হলেও, এই সময় দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও তর্কাতর্কির মধ্যেই রেফারি পূর্ণ সময় না খেলিয়ে শেষ বাঁশি বাজিয়ে দেন। খিদিরপুর ক্লাব ২-৫ গোলে রেলওয়ে এফসি-র কাছে হেরে যায়। অন্য ম্যাচে কালীঘাট মিলন সংঘ ৪-০ গোলে হারায় বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল স্পোর্টস কর্পোরেশনকে।