চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় বার্সেলোনা, প্লে-অফে রিয়াল মাদ্রিদ

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অঘটনের রাত। বেনফিকার বিরুদ্ধে লজ্জার হারে পয়েন্ট তালিকায় নবম স্থানে নেমে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। শুধু তাই নয়, সরাসরি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার সুযোগও হাতছাড়া করলো কিলিয়ান এমবাপের দল। খেলার ৩০ মিনিট নাগাদ এমবাপের করা গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মাদ্রিদের এই দলটি। তবে, তাদের এই লিড বেশিক্ষন স্থায়ী হয়নি। ৬ মিনিটের মধ্যে বেনফিকাকে সমতায় ফেরান আন্দ্রেয়াস। এরপর প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে তাদের হয়ে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান ২-১ করে যান পাবলিডিস।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৪ মিনিটে বেনফিকার হয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে যান সেই আন্দ্রেয়াস। মিনিট চারেকের মধ্যেই রিয়ালের হয়ে ব্যবধান ৩-২ করেন এমবাপে। এরপর চেষ্টা করে গোল করতে পারছিল না কোনও দল। তবে, নাটকের তখন ও অনেক বাকি ছিল। নির্ধারিত সময়ের শেষে প্রায় ৯ মিনিট সুংযুক্তি সময় দেন রেফারি। এইসময় (৯০+২) মিনিটে রিয়ালের তারকা খেলোয়াড় রাউল অ্যাসেন্সিও লালকার্ড দেখলে ১০ জন্যে হয়ে যায় তারা। প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই (৯০+৭) মিনিটে লাল কার্ড দেখে বসেন রদ্রিগো। ৯ জনের রিয়াল শিবির আর চেষ্টা করেও ম্যাচে ফিরতে পারেননি। উল্টে খেলার (৯০+৮) মিনিট নাগাদ বেনফিকার হয়ে চতুর্থ গোলটি করে যান আনাতোলিয়া টার্বিন। এই হারের ফলে প্লে-অফ খেলতে হবে এমবাপেদের। পাশাপাশি, শেষ ম্যাচ জিতেও গতবারের চ্যাম্পিয়ন পিএসজিও সরাসরি শেষ ষোলোর ছাড়পত্র পায়নি।

অন্য ম্যাচে বার্সেলোনা ৪–১ হারাল কোপেনগেনকে। খেলা শুরুর ৪ মিনিটের মধ্যে অবশ্য এগিয়ে গিয়েছিল কোপেনগেন। ওই ০-১ গোলে পিছিয়ে থেকেই সাজঘরে ফেরে বার্সেলোনা। তবে, দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর ৩ মিনিটের মধ্যে বার্সাকে সমতায় ফেরায় রবার্ট লেওয়ানডস্কি। ৬০ মিনিটে তাদের হয়ে ব্যবধান ২-১ করে যান ইয়ামাল। ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে তৃতীয় গোলটি করেন রাফিনহা। ৮৫ মিনিটে কোপেনগেনের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন মার্কাস র্যারশফোর্ড। এছাড়াও, অ্যাওয়ে ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও নাপোলিকে ৩–২ গোলে হারিয়ে সরাসরি শেষ ১৬–য় গেল চেলসি। এরফলে, ইংল্যান্ডের ক্লাবগুলির মধ্যে ইউরোপের সেরা টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশিবার নকআউটে খেলার রেকর্ড গড়ল তারা। পাশাপাশি, প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করলো লিভারপুল, স্পোর্টিং সিপি, ম্যাঞ্চেস্টার সিটি, আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ, টটেনহ্যাম হটস্পারও।