বিজয় হাজারে ট্রফিতে বছরের শেষের দিনে দারুণ জয় তুলে নিল বোলারদের দৌলতে। কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লর বাংলা দল ৯ উইকেটে জয় তুলে নিল জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জম্মু ও কাশ্মীর মাত্র ৬৩ রানে অল আউট হয়ে যায়। দুরন্ত পারফরম্যান্স বাংলার পেসারদের। প্রতিপক্ষকে অল আউট করার জন্য খরচ করতৈ হয়েছে বাংলাকে মাত্র ২০.৪ ওভার। জন্মু-কাশ্মীর দল ৬৩ রানে গুটিয়ে যায়। তখনই বাংলার জয় লেখা হয়ে যায়।
বাংলার তিন পেসার মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ ও মুকেশ কুমার বিপক্ষ শিবিরে ধস নামিয়ে দেন। শামি নেন দুই উইকেট, আকাশ দীপ ও মুকেশ কুমার নেন চারটি করে উইকেট। রান তাড়া করতে নেমে বাংলাকে কার্যত কোনও বেগ পেতে হয়নি। মাত্র ৯.৪ ওভারে জয়ের জন্য রান তুলে ফেলে বাংলা। এক উইকেট হারিয়ে। অভিষেক পোড়েল ও সুদীপ কুমার ঘরামি যথাক্রমে ৩০ ও ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন চার রানে করে আউট হয়েছিলেন।
এই ম্যাচে সকলের নজর ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের পেসার আকিব নবির দিকে। যিনি আইপিএলের মিনি নিলামে ঝড় তুলেছিলেন। বাংলার ব্যাটসম্যানদের তিনি কতটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেন? ঘরোয়া ক্রিকেটে টানা ভাল বোলিং করছেন। কিন্তু বুধবার তাঁকে লড়াই করার জন্য যথেষ্ট রানের পুঁজি দিতে পারেনি জম্মু ও কাশ্মীরের ব্যাটসম্যানরা। তবু আকিব নবি চেষ্টা করেছিলেন। বাংলার যে একটিমাত্র উইকেট পড়ে সেই অভিমন্যু ঈশ্বরনকে ফেরান তিনি। কোনও লাভ হয়নি।
এদিকে বিজয় মার্চেন্ট ট্রফিতে জয় পেল বাংলা এক ইনিংস ও ২৩৯ রানে মণিপুরের বিপক্ষে।
চলতি অনূর্ধ্ব ১৬ বিজয় মার্চেন্ট ট্রফিতে গ্রুপ পর্বে আগের চারটি ম্যাচই বাংলা ড্র করেছিল।
বুধবার কটকে মণিপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচের শেষ দিনে জিততে বাংলার দরকার ছিল ৩ উইকেট, যা তুলে নিতে বেশি সময় লাগেনি। বাংলা ৬ উইকেটে ৪৫২ রান তুলে প্রথম ইনিংস ডিক্লেয়ার করার পর প্রথম ইনিংসে মণিপুরকে বেঁধে ফেলে ৯০ রানে। ফলোঅনও করায়। মঙ্গলবার মণিপুরের স্কোর ছিল ৪৩.৪ ওভারে ৭ উইকেটে ৯২। বুধবার ৫৫.৫ ওভারে ১২৩ রানেই শেষ হয়ে
যায় মণিপুরের দ্বিতীয় ইনিংস। তাই বাংলা জিতল এক ইনিংস ও ২৩৯ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে কৌশিক বাউড়ি ও ত্রিপর্ণ সামন্ত তিনটি করে এবং সায়ক জানা ও উৎসব শুক্লা ২টি করে উইকেট দখল করে।