গোকুলামের বিরুদ্ধে জয় লাল-হলুদ ব্রিগেডের

আইডব্লুএলের প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচেও দুরন্ত জয় তুলে নিলো ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার গোকুলাম কেরালাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দিল অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল। খেলার শুরু থেকেই সুস্মিতা লেপচা, শিল্কি দেবী’রা একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুললেও গোকুলামের রক্ষণ ভেঙে কিছুতেই গোল করতে পারছিল না তারা। অবশেষে খেলার ৩৫ মিনিটে অষ্টমের পাস থেকে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন ফাজিলা ইকওয়াপুট। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, গত ম্যাচে কিকস্টার্টের বিরুদ্ধে মাথায় চোট পেয়েছিলেন ফাজিলা। ম্যাচের পর তাঁকে হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হয়েছিল।

সেখান থেকে ফিরেই এই ম্যাচে ফের একবার গোল করলেন উগান্ডার এই স্ট্রাইকার। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আক্রমণের চাপ বজায় রেখেছিল লাল – হলুদ ব্রিগেড। সেই আক্রমণ থেকেই ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করে যান রেস্টি নানজিরি। আশালতার কর্নার থেকে গোকুলাম গোলরক্ষক শ্রেয়া হুডা মিস করলে গোল করতে ভুল করেননি রেস্টি।

এদিন পুরো ম্যাচ জুড়ে একাধিক মিস করেন শ্রেয়া। ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরেও গোল ব্যবধান বাড়ানোর লক্ষ্যে আক্রমণ চালাতে থাকে অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল। যদিও বেশকিছু সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেন তারা। পরবর্তীকালে, খেলার ৭৬ মিনিটে হেডে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে তৃতীয় গোলটি সুলঞ্জনা রাউল। পরবর্তীকালে খেলার একেবারে শেষলগ্নে ৮৫ মিনিট নাগাদ সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ফাজিলা। নাহলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। শেষপর্যন্ত, ওই ৩-০ ব্যবধানে জিতেই প্রথম পর্বের শেষে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল।


এদিকে, আইডব্লুএলের সবকটি ম্যাচ জিতে স্বাভাবিকভাবেই খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজ। জানালেন, ফিটনেস সমস্যা থাকলেও খেলোয়াড়রা নিজেদের সেরা খেলাটা উপহার দিয়েছে। পাশাপাশি, নিজের প্রাক্তন দল গোকুলামের বিরুদ্ধে জিতে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি। বিষয়টি নিয়ে অ্যান্থনি বলেন, গোকুলামের সঙ্গে তাঁর একটা আবেগ জড়িয়ে আছে। তাই, এই জয়টা সবসময় বিশেষ।

তবে, প্রথম পর্বের শেষে এই দীর্ঘ বিরতি নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তিত দেখাল তাঁকে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারই ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে গোকুলামে যোগ দিয়েছিলেন উইঙ্গার জ্যোতি চৌহান। যদিও, ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মাঠে নামলেও নজর কাড়তে ব্যর্থ তিনি।