সরকারি কর্মীদের স্বাস্থ্যসাথী-আয়ুষ্মান কার্ড জমার সময় বাড়াল রাজ্য, শেষ দিন ৩০ নভেম্বর

সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং তাঁদের উপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগের নির্দেশে কিছুটা সময় বাড়াল রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতাভুক্ত হয়েও যাঁদের কাছে স্বাস্থ্যসাথী বা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড রয়েছে, তাঁদের সেই কার্ড জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ অক্টোবর থেকে বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর করা হয়েছে। শুক্রবার নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে অর্থ দপ্তর।

গত ৯ অক্টোবর জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নবান্ন জানিয়েছিল, রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং তাঁদের উপর নির্ভরশীলরা কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্প বা ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম’ (ডব্লিউবিএইচএস)-এর সুবিধা পাবেন। সরকারের নজরে আসে, ডব্লিউবিএইচএসের আওতায় থাকা সত্ত্বেও অল ইন্ডিয়া সার্ভিসের কর্মী-সহ কিছু সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগী নিজেদের এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসাথী ও আয়ুষ্মান ভারত কার্ড তৈরি করেছেন।

এরপরেই অর্থদপ্তর নির্দেশ দেয়, সংশ্লিষ্টদের ওই কার্ড জমা দিয়ে দিতে হবে। কার্ড জমা দেওয়ার প্রমাণপত্র-সহ নির্ধারিত ঘোষণাপত্রও জমা দিতে হবে। কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানের কাছে এবং পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে যেখানে ডব্লিউবিএইচএসের ফর্ম জমা দেওয়া হয়, সেখানে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।


নির্দেশ অমান্য করলে ডব্লিউবিএইচএসের চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত করার পাশাপাশি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।

এই নির্দেশের পর কার্ড জমা দিতে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক কার্ড জমার কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না বলে অনুমান করা হচ্ছিল। সেই পরিস্থিতিতে সময়সীমা আরও এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে স্বাস্থ্যসাথী বা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড জমা দিতে হবে।