ক্যারাটে কুংফু শিক্ষকের কাছে যৌন নিগ্রহের শিকার নাবালিকা, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

Photo: File photo

সার্ভে পার্ক থানার হাতে গ্রেপ্তার এক শিক্ষক। অভিযোগ, দিনের পর দিন ধরে অভিযুক্ত একটি এনজিওতে ক্যারাটে কুংফু শেখানোর নাম করে সেখানকার ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন করেছে। ধৃতের নাম প্রসেনজিৎ দাস। নির্যাতিতা হস্টেলের এক শিক্ষককে গোটা বিষয়টি জানান। এরপর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ওই শিক্ষক চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির কাছে সরাসরি অভিযোগ জানান। তারপরে সার্ভে পার্ক থানায় অভিযুক্তের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। পকসো আইনে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রের খবর, শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে। এই অপরাধ ঢাকতে দিনের পর দিন ধরে সে নির্যাতিতাদের হুমকি দিত। রীতিমতো ভয় দেখিয়ে সকলকে চাপে রাখত ওই শিক্ষক। কয়েকদিন আগে ওই এনজিও-র এক আবাসিক নাবালিকা কর্তৃপক্ষের কাছে পুরো বিষয়টি জানায়।

পুলিশ সূত্রের খবর, সার্ভে পার্ক এলাকায় রয়েছে একটি হস্টেল। সেই হস্টেলটি চালায় এক এনজিও। সেখানে বেশ কিছু নাবালিকা থাকে। মূলত, যে নাবালিকারা মা-বাবার কাছে থাকে না বা যাদের আত্মীয়স্বজন নেই, তারাই ওই এনজিও-র হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে। সেই সঙ্গে চলে আনুষঙ্গিক শিক্ষা। তার মধ্যে রয়েছে মার্শাল আর্টও।


ওই এনজিও-র হস্টেলে কোষাধ‌্যক্ষের কাজ করত প্রসেনজিৎ দাস। আবাসিকদের মার্শাল আর্টও শেখাত অভিযুক্ত। অভিযোগ, বেশ কয়েকজনকে আলাদাভাবে শেখানোর নাম করে হস্টেলের ভিতরই নির্জন জায়গায় ডেকে নিয়ে গিয়ে ওই শিক্ষক যৌন নিগ্রহ করত। এক নাবালিকার অভিযোগ, বেশ কয়েকমাস ধরে তার উপর নিপীড়ন চলে। একটা সময় মানসিক ভাবে ভেঙে পরে ওই নাবালিকা। আতঙ্কে ভুগতে শুরু করে সে। হস্টেলের অন‌্য এক শিক্ষক বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ওই শিক্ষক চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির কাছে সরাসরি অভিযোগ জানান। তদন্ত শুরু করে কমিটি। সামনে আসে সত্যি ঘটনা। নাবালিকাকে স্থানান্তর করা হয় অন্য হোমে।