সম্প্রতি ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে এক বড় ধরনের জালিয়াতির ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, সেখানে পুরসভার ইনস্পেকশন বুকের নকল কপি বানিয়ে বাড়ির প্ল্যান তৈরি করা হয়েছিল। ওই এলাকায় বেআইনিভাবে পাঁচতলা বাড়ি তৈরি করার চেষ্টা চলছিল। এর জন্য অভিযুক্ত প্রোমোটার ও জমির মালিকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনায় মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, এর সঙ্গে যে পুরকর্মীরা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, মাত্র এক কাঠা পনেরো ছটাক জমিতে পাঁচতলা বাড়ি তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল। জমির আসল নথি নকল করে সেখানে ভাড়াটিয়া দেখিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর এরিয়া রেশিও নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। পরে আইনজীবী সায়ন্তক দাস বিষয়টি জানতে পেরে আরটিআই করেন এবং কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। মেয়র অভিযোগ পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন এবং ভিজিল্যান্স দলকে কাজে লাগান।
নথি খতিয়ে দেখা হলে বোঝা যায়, সরকারি সার্ভারে থাকা আসল ইনস্পেকশন বুক কপিতে ভাড়াটিয়ার কোনও তথ্য নেই, কিন্তু নকল নথিতে তা দেখানো হয়েছে। এরপর মেয়র অনুমোদিত প্ল্যান বাতিল করে দেন।
এই ঘটনা দেখে ক্ষুব্ধ মেয়র বলেন, ‘নথি কে নকল করল, কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে হবে। সরকারি নথি জাল করার জন্য আমরা ক্রিমিনাল কেস করেছি। আগে এ রকম হতো, এখন আমরা এই ব্যবস্থা বদলানোর চেষ্টা করছি। এখন সব তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হচ্ছে।’
জানা গিয়েছে, ওই বাড়ির প্ল্যান ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার চার মাসের মধ্যেই পুরসভা সেই অনুমোদন বাতিল করে দেয়।